বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যোগাযোগব্যবস্থা
শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও আবাসনব্যবস্থার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঢাকা মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬-এর মূল স্টেশন এবং উত্তরা-গাজীপুর রুটে নির্মাণাধীন বিআরটি লাইন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অবস্থান কাছাকাছি হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াত হবে আরও নির্বিঘ্নে। এ ছাড়া রয়েছে বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, মেট্রোরেল স্টেশন ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে স্টেশন। এ কারণে ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে খুব সহজে যাতায়াত করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। রয়েছে বিনা মূল্যে নিজস্ব পরিবহনব্যবস্থা।

শ্রেষ্ঠত্বে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
উত্তরায় সাড়ে তিন বিঘা জমির ওপর অ্যাডাস্টের সবুজে ঘেরা লেক ভিউ ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে দক্ষ ও বাস্তবধর্মী মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে প্রশস্ত খেলার মাঠ ও ইনডোর স্পোর্টসের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। রয়েছে মানসম্মত পরীক্ষাগার। এ ছাড়া পিঠা উৎসব, বসন্তবরণ, চৈত্র সংক্রান্তি, শিক্ষা মেলা ও জাতীয় অনুষ্ঠানগুলো জমকালো আয়োজনে উদ্‌যাপিত হয় এখানে।

আধুনিক লাইব্রেরি
শুরু থেকেই অ্যাডাস্ট শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক লাইব্রেরির ব্যবস্থা করেছে। গ্রন্থাগারে দৈনিক সংবাদপত্র, রিজার্ভ ও রেফারেন্স বই পড়ার জন্য রয়েছে আলাদা কর্নার। রয়েছে ৩৩ হাজারের বেশি বই, ১৩৫টি জার্নাল, ৫০৬টি ই-বুক। ৬০ শিক্ষার্থী একসঙ্গে বসে পড়াশোনা করতে পারেন সুবিশাল এই লাইব্রেরিতে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালে নিয়মিত প্রকাশিত হয়। এখান থেকে ই-বুক, ই-জার্নাল ও ই-ম্যাগাজিন ডাউনলোড করা যায়। শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ওয়াই-ফাই সংযোগসহ কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ।

default-image

গবেষণা ও ক্রেডিট স্থানান্তর
কমনওয়েলথ সদস্যভুক্ত যেকোনো দেশে অ্যাডাস্টের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট স্থানান্তরের ব্যবস্থা আছে। এ ছাড়া শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য নেপাল, ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অ্যাডাস্টের সমঝোতা চুক্তি রয়েছে। সম্প্রতি অ্যাডাস্টের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত বানশিধর মিশ্র উপস্থিত থেকে শিক্ষার উন্নয়নে অ্যাডাস্টের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। প্রতিবছর বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে আসেন উন্নত শিক্ষা নিতে।

এক্সট্রা কারিকুলাম
প্রতিবছর ক্যাম্পাসে ক্রিকেট, ভলিবল, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকেন অ্যাডাস্টের শিক্ষার্থীরা। কুইজ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, রোবটিকস কম্পিটিশন, প্রোগ্রামিং কনটেস্টসহ নানা আয়োজনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেশ কিছু অর্জন রয়েছে। দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম অ্যাডাস্টই ২০০৬ সালে অ্যাগ্রিবিজিনেস ডিপার্টমেন্ট চালু করে। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে বুয়েট কর্তৃক আয়োজিত রোবো কার্নিভ্যালে প্রজেক্ট শোকেসিংয়ে অ্যাডাস্টের শিক্ষার্থীরা যথাক্রমে ফার্স্ট রানারআপ ও সেকেন্ড রানারআপ হন।
বাংলাদেশের জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক ও বর্তমান সাংসদ মাশরাফি বিন মুর্তজা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের একটি চুক্তির মাধ্যমে বিনা মূল্যে পড়ার সুযোগ করে দেওয়া হয় এ প্রতিষ্ঠানে।

গ্র্যাজুয়েটদের সফলতা
অ্যাডাস্টের গ্র্যাজুয়েটরা দেশ-বিদেশের নামকরা প্রতিষ্ঠানে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁরা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সুপ্রিম কোর্ট, জজ কোর্ট, বিদেশি দূতাবাস, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক, সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী, রাজস্ব বোর্ড, টেক্সটাইল, কম্পিউটার ফার্ম, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির সঙ্গেও রয়েছে এমওইউ ও স্টুডেন্ট এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। এ কারণে এখানে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন গ্র্যাজুয়েট, পোস্ট–গ্র্যাজুয়েট, এমফিল ও পিএইচডি করার সুযোগ।

বাংলাদেশের জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক ও বর্তমান সাংসদ মাশরাফি বিন মুর্তজা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের একটি চুক্তির মাধ্যমে বিনা মূল্যে পড়ার সুযোগ করে দেওয়া হয় এ প্রতিষ্ঠানে।

বৃত্তি বা বিশেষ সুবিধা
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মেধাবৃত্তি দেওয়া হয়। মেয়েদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে ৫ শতাংশ বিশেষ বৃত্তিসহ বিভিন্ন বিভাগে আরও বৃত্তি দেওয়া হয়। করোনা মহামারিকালে নতুন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। ‘ফল-২০২১’ সেমিস্টারে ৫ কোটি ২১ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৯ টাকা শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। ‘স্প্রিং সেমিস্টার-২০২২’–এ ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি ৪০ শতাংশ এবং টিউশন ফি ১০-১০০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রতি সেমিস্টারে ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থী বৃত্তি দেওয়া হয়। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

পাঠদানের বিষয়
অ্যাডাস্টে স্নাতক পর্যায়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসি, বিবিএ, বিবিএ ইন অ্যাগ্রিবিজিনেস, এলএলবি, বিএ অনার্স ইন ইংরেজি, বিএ অনার্স ইন অর্থনীতি, বিএড বিষয়ে পড়া যায়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এমবিএ, ইএমবিএ, ইএমবিএ ইন অ্যাগ্রিবিজিনেস, মাস্টার্স অব পাবলিক হেলথ এবং এমএড প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রফেশনাল ও ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে সান্ধ্যকালীন প্রোগ্রামের সুবিধা। এখানে স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার রয়েছে এবং এর পাশাপাশি জব প্লেসমেন্ট সেন্টারও আছে, যেখান থেকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগোপযোগী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হয়।

ভর্তিপ্রক্রিয়া
শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে ইউজিসি নীতিমালা অনুসরণ করে অ্যাডাস্ট। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ২.৫০ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা কোনো ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি ভর্তি হতে পারবেন। একই সুবিধা পাবেন ইংরেজি মাধ্যমে ও লেভেলে ন্যূনতম ২.৫ এবং এ লেভেলে ন্যূনতম ২.০ থাকা সাপেক্ষে ‘ও লেভেলে পাঁচটি এ, কমপক্ষে চারটিতে বি এবং তিনটিতে সি পাওয়া শিক্ষার্থীরা। বিস্তারিত এই ওয়েবসাইটে জানা যাবে। ফোন করা যাবে ০১৭৮৭৬৬৬৫৭৫-৫৭৮ নম্বরে।
সম্প্রতি পঞ্চম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্থায়ী সনদপ্রাপ্তি অ্যাডাস্টের অর্জনের মধ্যে অন্যতম। অ্যাডাস্টে প্রতিবছর যুগোপযোগী বিষয়ের ওপর সভা ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত সিকদার বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকেরা আগামী দিনের দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরির জন্য কাজ করছে। আমাদের গ্র্যাজুয়েট ও আন্ডার–গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামগুলো শুধু পরীক্ষায় পাস করার জন্য নয়, উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল তরুণসমাজ সৃষ্টির জন্য আমরা কাজ করছি। আমরা ছাত্রদের উদ্ভাবনী চিন্তা, চেতনা এবং গবেষণার মাধ্যমে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছি। অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে, আমরা সেটা বিশ্বাস করি।’

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন