স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের নতুন উপাচার্য শরীফ নাফে আস্-সাবের
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য শরীফ নাফে আস্-সাবের। তিনি ওমানের সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ম্যানেজমেন্টের শিক্ষক। রাষ্ট্রপতি ও স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের আচার্য (চ্যান্সেলর) যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার বছরের জন্য শরীফ নাফে আস্-সাবেরকে নিয়োগ দেন।
শরীফ নাফে আস্-সাবের আজ সোমবার স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি উপাচার্যের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যসহ স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ডিন এবং বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও শিক্ষকেরা উপস্থিতি ছিলেন।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারাহনাজ ফিরোজ কর্তৃক প্রস্তাবিত অধ্যাপকদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি শরীফ নাফে আস্-সাবেরকে নিয়োগ দেন।
শরীফ নাফে আস্-সাবের একজন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একাডেমিক নেতা, কৌশলবিদ ও সুশাসন বিশেষজ্ঞ। তাঁর কর্মজীবন তিন দশকের অধিক সময়জুড়ে বিস্তৃত। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি ওমানের সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান অনুষদের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের প্রিন্সিপাল অব ম্যানেজমেন্ট এডুকেশনের (মধ্যপ্রাচ্য অধ্যায়) ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী অধ্যাপক, ডেপুটি হেড, অ্যাসোসিয়েট ডিন (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন), ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি প্রো ভাইস–চ্যান্সেলর, ভারপ্রাপ্ত প্রধানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি এমফিল (ইন্ডাস্ট্রি) প্রোগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রোগ্রামের পরিচালক ছিলেন।
শিক্ষাজীবনে তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি, মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র সুশাসন, জননীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, নৈতিকতা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায় কৌশল। তিনি অস্ট্রেলিয়ান রিসার্চ কাউন্সিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অনুদান লাভ করেছেন এবং একাধিক পিএইচডি গবেষক তত্ত্বাবধান করেছেন। একাডেমিক ক্ষেত্রের বাইরে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে স্থানীয় সরকারপ্রধানসহ নানাবিধ দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষা, গবেষণা ও জনসম্পৃক্ততায় তাঁর অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত ও প্রশংসিত।