default-image

জানেন কী ২০১৮ সালে বিশ্বে প্রতি ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি গাড়ি তৈরি হয় কোন দেশে? একটা অনুমান করেন; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, কানাডা, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড—যেকোনো একটিকে আপনি উত্তর হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন, তাহলে ঠিক হবে না। ২০১৮ সালে বিশ্বে মাথাপিছু প্রতি ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি গাড়ি যে দেশে উৎপন্ন হয়, সে দেশটির নাম স্লোভাকিয়া; যা আমার কিংবা আপনার কাছে হয়তোবা খুব বেশি পরিচিত কোনো নাম নয়। ২০১৮ সালের সে পরিসংখ্যান অনুযায়ী স্লোভাকিয়াতে মাথাপিছু হিসেবে দেশে মোট গাড়ি প্রস্তুত হয় ১০ লাখ ৯০ হাজার। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ষষ্ঠ বৃহত্তম গাড়ি প্রস্তুতকারী দেশের নাম স্লোভাকিয়া, যা দেশের শিল্পজাত লভ্যাংশের ৪৩ শতাংশ। যদিও মোটরগাড়ি নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত এসব কোম্পানির একক মালিকানা দেশটির হাতে নেই।

বিশ্বের উন্নত এবং আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার এ দেশে পাহাড়, বিভিন্ন দুর্গ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিবছর সারা পৃথিবী থেকে অসংখ্য পর্যটক এ দেশে বেড়াতে আসেন।

default-image

১৯৯৩ সালে তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়া ভেঙে গঠিত হয় দুটি দেশ। একটি চেক রিপাবলিক এবং অন্যটি স্লোভাকিয়া। স্লোভাকিয়া পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ, যার আয়তন মাত্র ১৮ হাজার ৯৩৩ বর্গমাইল। চারদিক থেকে ছোট-বড় বিভিন্ন রাষ্ট্র দিয়ে ঘেরা স্লোভাকিয়া উত্তর-পশ্চিমে চেক প্রজাতন্ত্র, উত্তরে পোল্যান্ড, পূর্বে ইউক্রেন, দক্ষিণে হাঙ্গেরি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে অস্ট্রিয়া দ্বারা বেষ্টিত।

দেশটির মোট আয়তনের শতকরা ৪১ ভাগের মতো অংশ ছোট-বড় বিভিন্ন বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ। টাটরা নামের পর্বতমালা স্লোভাকিয়া এবং পোল্যান্ড—দুটি দেশের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমারেখা তৈরি করেছে। হাই টাটরাস পর্বতমালার ৮ হাজার ৭৪৩ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট জেরলাচভস্কি স্টিট নামের পর্বতশৃঙ্গ স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

স্লোভাকিয়াতে ৯টি জাতীয় উদ্যান রয়েছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২ হাজার ৪০০–এর মতো গুহা আবিষ্কৃত হয়েছে, মাত্র ৩০টির মতো গুহা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত। গুহা স্বাভাবিকভাবে ট্র্যাকিং কিংবা হাইকিংপ্রেমী মানুষের কাছে অন্যতম পছন্দের জায়গা।

বিজ্ঞাপন
স্লোভাকিয়ার ইউনিভার্সিটিগুলোতে অ্যাডমিশন পাওয়ার জন্য আইএলটিএস, টোফেল, পিটিইর মতো কোনো ইংলিশ প্রোফিসিয়েন্সি টেস্ট স্কোরের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, তবে অ্যাডমিশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইংলিশ প্রোফিসিয়েন্সি টেস্ট স্কোর থাকলে সেটা বাড়তি সুবিধা যোগ করে

নিউইয়র্কের থেকেও কম জনসংখ্যাবিশিষ্ট দেশ স্লোভাকিয়া। কিন্তু দেশে প্রায় ১৮০টির মতো দুর্গ এবং ৪২৫টির মতো Chteaux আছে। Châteaux-হচ্ছে ম্যানোরদের বাসস্থান, যাকে ফ্রেঞ্চরা Seigneur du Manoir বলে। এরা রাজাদের শাসনামলে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হতেন। স্লোভাকিয়ার বিখ্যাত ক্যাসেলগুলোর মধ্যে ব্রাটিস্লাভা ক্যাসেল, ডেভিন ক্যাসেল, স্পিস ক্যাসেল এবং ওরাভা ক্যাসেল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

২০১৮ সালের জনগণনা অনুযায়ী স্লোভাকিয়ার জনসংখ্যা ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ৪২১ জন। দেশটির আধিকারিক ভাষার নাম স্লোভাক। স্লোভাক স্লাভিক ভাষাগোষ্ঠীর সদস্যভুক্ত একটি ভাষা এবং দেশটির সবচেয়ে বড় জাতিগোষ্ঠীর মানুষের নামও স্লোভাক, যা তাদের ভাষার নাম অনুসারে হয়েছে। এ ছাড়া দেশটিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক হাঙ্গেরিয়ান জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বাস করে।

২০০৮ সাল পর্যন্ত স্লোভাক কোরুনা ছিল দেশটির জাতীয় মুদ্রা। কিন্তু পরে ইউরো জোনে প্রবেশ করলে দেশটির জাতীয় মুদ্রা হয় ইউরো। বর্তমান বিশ্বে পার ক্যাপিটা জিডিপির মানদণ্ড বিবেচনায় স্লোভাকিয়া বিশ্বের ৩৭তম ধনী দেশ। দেশটির এ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পেছনে মোটরগাড়ি নির্মাণশিল্প এবং ক্রমবর্ধমান পর্যটনশিল্প বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। স্লোভাকিয়ার অধিকাংশ শহর ও তাঁদের ঐতিহাসিক নিদর্শন, যেমন চার্চ এবং ঘরবাড়িগুলো দেশের চতুর্দিকে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে বারোক নামের স্থাপত্যকলার অনুকরণে নির্মিত ঘরবাড়ি এবং চার্চগুলো ইউনেসকোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষিত হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা গাছ কেটে তৈরি করা আলটার রয়েছে স্লোভাকিয়ার ব্যাসিলিকা অব সেন্ট জেমস নামক গির্জায়। লেভোচাতে গির্জায় থাকা আলটারটি তৈরি করতে কোনো পেরেক ব্যবহার করা হয়নি; সম্পূর্ণটাই কাঠ খোদাই করে তৈরি।

স্লোভাকিয়ার অধিকাংশ মানুষ খ্রিষ্ট (মূলত ক্যাথলিক খ্রিষ্টানিটি) ধর্মে বিশ্বাসী। কাঠে খোদাই করা বিভিন্ন জিনিস, ঘর ও পুতুল দেশটির সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের অংশ। ফুইয়ারা নামের এক বাদ্যযন্ত্র স্লোভাকিয়ার লোকসংগীত পরিবেশনের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত এবং ইউনেসকোর তালিকায় ফুইয়ারা নথিভুক্ত রয়েছে।

default-image

লোকসংস্কৃতির কদর স্লোভাকিয়াতে এত বেশি যে দেশটির সরকার এসব লোকসংস্কৃতির সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। চিচমানি নামের স্লোভাকিয়ার একটি অসাধারণ গ্রাম রয়েছে। এখানকার কাঠনির্মিত প্রাচীন ঘরবাড়িগুলোতে কাঠের নকশা করা হয় এবং বিভিন্ন আকৃতি ও ডিজাইনের মাধ্যমে তাতে সাদা রং করা হয়ে থাকে।

১৩০টির মতো কাঠের কারুকার্য করে তৈরি করা এ ঘরবাড়িগুলো এখন সংরক্ষিত। ‘Folk Architecture Reservation’–এর তালিকায় গ্রামটিকে স্থান দেওয়া হয়েছে সংরক্ষণের উদ্দেশে। এ গ্রামে এখন ২০৪ জনের মতো মানুষের বসবাস রয়েছে।

স্লোভাকিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম নগরীর নাম ব্রাটিস্লাভা। ড্যানিউব ও মোরাভা এ দুই নদীর তীরে অবস্থিত শহরটি পৃথিবীর একমাত্র রাজধানী শহর, যা দুটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্রের সঙ্গে সীমানা ভাগাভাগি করেছে। ব্রাটিস্লাভা শহরটি হাঙ্গেরি ও অস্ট্রিয়ার সীমানায় অবস্থিত।

বর্তমানে স্লোভাকিয়া জাতিসংঘ ছাড়াও ন্যাটো ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মতো প্রতিপত্তিশালী সংগঠনের সদস্য। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কিংবা ইউরোপিয়ান ইকোনমিক এরিয়ার অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যাকার ফ্রি বর্ডার মুভমেন্ট, অর্থাৎ সেনজেন রাষ্ট্রগুলোর তালিকায় স্লোভাকিয়ার নাম রয়েছে। ২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে দেশটিতে ২৬ বছর পর্যন্ত সব ছাত্রছাত্রী, বিধবা নারী, শারীরিক কিংবা মানসিকভাবে অক্ষম কোনোও ব্যক্তি এবং ৬২–এর অধিক বয়স্ক সব মানুষের জন্য দেশটির সব জাতীয় রেল পরিষেবায় যাতায়াত ফ্রি করে দেওয়া হয়। স্পা ও ম্যাসাজ করতে অনেকে প্রচুর টাকা খরচ করেন, কিন্তু স্লোভাকিয়াতে সৃষ্টিকর্তা প্রাকৃতিকভাবে অনেক কম খরচেই স্পা ও ম্যাসাজের জন্য উষ্ণ প্রস্রবণ তৈরি করে দিয়েছে। এসব প্রস্রবণ, তথা গরম পানির ঝরনা বিভিন্ন ধরনের থেরাপিতেও ব্যবহৃত হয়। উদার প্রকৃতি এবং সুন্দর মানুষ দেশটিকে অর্থ ও সম্পদ সবই দিয়েছে।

উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি কীভাবে
এখন তাহলে জেনে নেওয়া যাক স্লোভাকিয়াতে উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা আসতে চান, তাঁদের কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। স্লোভাকিয়াতে তিন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। পাবলিক হায়ার এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন, স্টেট হায়ার এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন এবং প্রাইভেট হায়ার এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন।

বিজ্ঞাপন

স্লোভাকিয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য ইউনিভার্সিটির মধ্যে Comenius University of Bratislava, Slovak University of Technology in Bratislava, Pavol Joszef afárik University in Košice, University of Prešov, University of Žilina-ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে Comenius University of Bratislava–এর র‍্যাঙ্কিং সবার ওপরে। দুর্ভাগ্যবশত স্লোভাকিয়াতে বাইরের দেশ থেকে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য খুব বেশি একটা শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ নেই, তবে স্লোভাকিয়াতে টিউশন ফি অন্যান্য অনেক দেশ থেকে অনেকটা কম এবং দেশটিতে ইংরেজিতে বেশ কিছু স্টাডি প্রোগ্রাম পাওয়া যায় ব্যাচেলর, মাস্টার্স পিএইচডিসহ সব ক্ষেত্রে। Comenius University of Bratislava যেটি র‍্যাঙ্কিংয়ের দিক থেকে স্লোভাকিয়ার সবচেয়ে ওপরের ইউনিভার্সিটি সেখানে বেশির ভাগ সাবজেক্টে এক বছরের টিউশন ফি ৮০০ থেকে ১০০০ ইউরো। দেশটির কিছু ইউনিভার্সিটিতে এক বছরের টিউশন ফি এক বছরে মাত্র ৫০০ ইউরো। আবার Slovak University of Technology in Bratislava, যেটি দেশটির সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সেখানে কোনো কোনো সাবজেক্টে এক বছরে টিউশন ফি ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪, হাজার ইউরো কিংবা তার বেশিও হতে পারে। ডেনটিস্ট্রি, মেডিসিন, ফার্মেসির মতো বিষয়গুলোতে টিউশন ফি এক বছরে ৯ হাজার থেকে ১২ হাজার ইউরো পর্যন্ত হতে পারে।

default-image
স্লোভাকিয়াতে তিন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। পাবলিক হায়ার এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন, স্টেট হায়ার এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন এবং প্রাইভেট হায়ার এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন

আইএলটিএস, টোফেল, পিটিইর বাধ্যবাধকতা নেই
স্লোভাকিয়াতে সাধারণত অটাম সেশনের জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য অ্যাডমিশন অফার করা হয়। বছরের সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবরের দিকে দেশটির বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করে। প্রতিবছর মার্চ মাসে থেকে অ্যাডমিশনের জন্য অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করা শুরু হয় এবং জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত অ্যাপ্লিকেশন সাবমিশন করার সময় থাকে। ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে অ্যাপ্লিকেশন প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। সাধারণত স্লোভাকিয়ার ইউনিভার্সিটিগুলোতে অ্যাডমিশন পাওয়ার জন্য আইএলটিএস, টোফেল, পিটিইর মতো কোনো ইংলিশ প্রোফিসিয়েন্সি টেস্ট স্কোরের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, তবে অ্যাডমিশন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ইংলিশ প্রোফিসিয়েন্সি টেস্ট স্কোর থাকলে সেটা একটা বাড়তি সুবিধা যোগ করে। এ ছাড়া ইউনিভার্সিটিগুলোতে আবেদন করতে অনেক সময় ৩০ থেকে ৬০ ইউরো অ্যাপ্লিকেশন ফি প্রদান করতে হয়। Comenius University of Bratislava কিংবা Slovak University of Technology in Bratislava-এর মতো বড় বড় ইউনিভার্সিটি লিখিত পরীক্ষা নেয় সংশ্লিষ্ট সাবজেক্টে অ্যাডমিশন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে। এ ছাড়া অনেক সময় ইউনিভার্সিটিগুলো হার্ড কপি কুরিয়ার করার জন্য তাগিদ দিতে পারে। সাধারণত স্লোভাকিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবেদন করতে হলে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রদত্ত এডুকেশনাল সার্টিফিকেট ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের কপি দেশটির ডিপ্লোম্যাটিক মিশন থেকে অ্যাটাস্টেড করতে হয়।

যেভাবে আপনাকে আপনার একাডেমিক ডকুমেন্টগুলো অ্যাটাস্টেশন করাবেন:
* সব এডুকেশনাল সার্টিফিকেট ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের কপি, যদি সেটা এসএসসি ও এইচএসসি অথবা সমমানের কোনো পরীক্ষার সার্টিফিকেট কিংবা ট্রান্সক্রিপ্ট হয়, তাহলে প্রথমে সেগুলো ফটোকপি করে স্ব–স্ব শিক্ষা বোর্ড থেকে অ্যাটাস্টেশন করতে হবে। আর যদি সেটা ব্যাচেলর অথবা মাস্টার্সের সার্টিফিকেট কিংবা ট্রান্সক্রিপ্ট হয়, তাহলে স্ব–স্ব ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার কিংবা কন্ট্রোলারের কাছ থেকে অ্যাটাস্টেশন করাতে হবে। মূল কপিতে অ্যাটাস্টেশন করাবেন কি না, সেটা আপনার ওপর নির্ভর করবে;

*এরপর আপনাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যেতে হবে সেখান থেকে আপনাকে এডুকেশনাল সার্টিফিকেট ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট অ্যাটাস্টেড করানোর জন্য;

*শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অ্যাটাস্টেশন হয়ে গেলে আপনাকে যেতে হবে মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সে, সেখান থেকে আপনাকে এডুকেশনাল সার্টিফিকেট ও একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট অ্যাটাস্টেড করাতে হবে;

*মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সে থেকে আপনার যাবতীয় ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেড হয়ে গেলে আপনি স্লোভাকিয়ার কোনো ডিপ্লোম্যাটিক মিশন থেকে আপনি সেটিকে অ্যাটাস্টেড করাবেন। স্লোভাকিয়ার ডিপ্লোম্যাটিক মিশন আপনার ডকুমেন্ট ততক্ষণ পর্যন্ত অ্যাটাস্টেড করবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত আমাদের দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স আপনার এডুকেশনাল ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেড করে। স্লোভাকিয়ার ডিপ্লোম্যাটিক মিশনের প্রতিনিধি হিসেবে আপনি ঢাকার শেওড়াপাড়াতে অবস্থিত স্লোভাকিয়ার অনারারি কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, যদি সেখানে আপনার ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেশন করানো সম্ভব না হয়, তাহলে আপনার ডকুমেন্ট পাঠাতে হবে দিল্লিতে অবস্থিত স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসিতে। এখানে একটা জিনিস বিশেষভাবে উল্লেখ না করলেই নয় যে স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসি কিংবা কনস্যুলেট মূল কপি দেখেই আপনার ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেশন করবে।

অরিজিনাল কপিতে অ্যাটাস্টেশন করানোর প্রয়োজন নেই, তবে অরিজিনাল কপি ছাড়া স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসি কিংবা কনস্যুলেট ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেশন করবে না। যদি দিল্লিতে অবস্থিত স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসি আপনার ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেড করতে রাজি না হয়, তাহলে স্লোভাকিয়ার মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যান্ড ইউরোপিয়ান অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্লোভাকিয়ার মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যান্ড ইউরোপিয়ান অ্যাফেয়ার্স আপনাকে বাংলাদেশের মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সের থেকে আপনার ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেড হয়ে যাওয়ার পর জার্মানির রাজধানী বার্লিনের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে আরও একবার অ্যাটাস্টেড করানোর জন্য বলতে পারে; স্লোভাকিয়ার মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যান্ড ইউরোপিয়ান অ্যাফেয়ার্স কোনো ডকুমেন্ট অ্যাটাস্টেড করতে পৃষ্ঠাপ্রতি ২০ ইউরো করে রাখে।

default-image

ডকুমেন্ট লিগালাইজেশনের সমগ্র প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া, এ জন্য ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করার সময় নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত যে সত্যিই এত ধাপ পর্যন্ত লিগালাইজেশনে যেতে হবে কি না। ইউনিভার্সিটি চাইলে অনেক সময় অ্যাটাস্টেশন ছাড়াও আপনার এডুকেশনাল ডকুমেন্ট জমা নিতে পারে। এ জন্য ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করার সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিগালাইজেশনের ব্যাপারটি খুব ভালোভাবে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে।

স্লোভাকিয়াতে উচ্চশিক্ষা–সংক্রান্ত একটি ওয়েবসাইটের লিংক আমি এখানে শেয়ার করছি। যদি কেউ আরও বিস্তারিতভাবে কোনো কিছু জানার ইচ্ছা প্রকাশ করে থাকেন, তাহলে এখান থেকে আশা করি সব তথ্য খুঁজে পাবেন। ওয়েবসাইটটি দেশটির সরকার দ্বারা পরিচালিত।

স্লোভাকিয়াতে উচ্চশিক্ষা–সংক্রান্ত একটি ওয়েবসাইট.pdf

ভিসার ও অন্য ফরম কোথায় পাবেন
ভর্তি নিশ্চিত হয়ে গেলে গেলে ইউনিভার্সিটির কাছ থেকে লেটার অব অ্যাকসেপটেন্স পাবেন, আপনাকে ই-মেইল কিংবা ডাকসহযোগে লেটার অব অ্যাকসেপটেন্স পাঠানো হবে।
টিউশন ফি কী ভিসার আগে দিতে হবে না ভিসা পাওয়ার পর দিতে হবে, সেটা লেটার দেখে বোঝা যাবে। যদি ইউনিভার্সিটি ভিসা ইন্টারভিউয়ের আগে টিউশন ফি জমা দিতে বলে, তাহলে এ লেটার অব অ্যাকসেপটেন্স হাতে পাওয়ার পরপর যেকোনো ব্যাংকে গিয়ে স্টুডেন্ট ফাইল ওপেন করে টিউশন ফি পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি টিউশন ফি পাওয়ার পর আপনাকে চূড়ান্ত এনরোলমেন্ট লেটার পাঠাবে।
ইউনিভার্সিটির এনরোলমেন্ট কনফার্ম হয়ে গেলে আপনাকে ভিসার (টেম্পোরারি রেসিডেন্ট পারমিট) জন্য আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশে স্লোভাকিয়ার কোনো অ্যাম্বাসি না থাকায় আপনাকে ভিসা কিংবা টেম্পোরারি রেসিডেন্ট পারমিটের আবেদন করার জন্য দিল্লিতে যেতে হবে। দিল্লিতে অবস্থিত স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসির ওয়েবসাইট: https://www.mzv.sk/web/dilli-en/home

দিল্লিতে অবস্থিত স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসির ঠিকানা:
50-M, Niti Marg, Chanakyapuri, New Delhi, India
Telephone Number.:Telephone Number.: +91 1126889071, +911126885340, +911126111075+91 1126889071, +911126885340, +911126111075 T

ই-মেইল অ্যাড্রেস: emb.delhi@mzv.sk <mailto:emb.delhi@mzv.sk>
cons.delhi@mzv.sk <mailto:cons.delhi@mzv.sk>
নিম্নের এ লিংকের মাধ্যমে আপনি অ্যাম্বাসির জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে পারেন। জরুরি প্রয়োজনে অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য অ্যাম্বাসি কর্তৃপক্ষের কাছে ই-মেইল করতে পারেন। https://ezov.mzv.sk/e-zov/

বিজ্ঞাপন
default-image

যেদিন ভিসা ইন্টারভিউয়ের জন্য যাবেন, সেদিন আপনার এ অ্যাপয়েন্টমেন্ট ফরম কিংবা ই-মেইলে পাওয়া কনফারমেশন প্রিন্ট আউট করে নিয়ে যেতে হবে। সঙ্গে লাগবে ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফরম (এখানে ভিসা ক্যাটাগরি ডি), যা আপনি অ্যাম্বাসির ওয়েবসাইটে খুঁজে পাবেন। ভিসা–সংক্রান্ত যাবতীয় ইনফরমেশন আপনি অ্যাম্বাসির ওয়েবসাইটে বিস্তারিতভাবে দেখতে পারবেন।

পূর্ণভাবে ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফরম পূরণ করতে হবে এবং যথোপযুক্ত সিগনেচার প্রদান করতে হবে। অন্যান্য সেনজেনভুক্ত দেশের মতো স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসি ফি ৬০ ইউরো, আপনাকে এ ৬০ ইউরোর সমতুল্য ইন্ডিয়ান রুপি অ্যাম্বাসিতে জমা দিতে হবে। এ বিষয়ে আপনি আগের থেকে অ্যাম্বাসির সঙ্গে যোগাযোগ করে নিতে পারেন ই-মেইলের মাধ্যমে।

ভিসা অ্যাপ্লিকেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
*ইউনিভার্সিটি কর্তৃক প্রদত্ত এনরোলমেন্ট লেটার;
*পাসপোর্ট যার মেয়াদ কমপক্ষে তিন মাস থাকতে হবে (তবে ছয় মাস হলে ভালো) এবং অন্ততপক্ষে পাসপোর্টে দুটি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে। সেই সঙ্গে পুরো পাসপোর্টের ফটোকপি এবং ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার দিন থেকে শুরু করে প্রথম তিন বছরের মধ্যে যদি কোনো দেশের ভিসা কিংবা অ্যারাইভাল অথবা ডিপারচার সিলের ফটোকপি;
*কমপক্ষে এক মাসের ট্রাভেল হেলথ ইনস্যুরেন্স;
*পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট;
*সেলফ ফাইন্যান্সিং স্টুডেন্ট হলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেটের অরিজিনাল কপি। ব্যাংক স্টেটমেন্ট কমপক্ষে ৬ মাসের হতে হবে এবং এক বছরের টিউশন ফি, থাকা-খাওয়া এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য খাত মিলিয়ে যে পরিমাণ খরচ দাঁড়ায় তার সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংকে থাকতে হবে। ফাইন্যান্সিয়াল স্পন্সরশিপের এফিডেভিট অত্যাবশ্যক;
*স্কলারশিপ হোল্ডার হলে স্কলারশিপের লেটার;
*ফ্লাইটের রিজার্ভেশন;
*৩ সেন্টিমিটার X ৩.৫ সেন্টিমিটারের দুই কপি ছবি;
*অ্যাকোমডেশনের করফারমেশন, ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী আপনি এ কনফারমেশন পেতে পারেন;
*সব সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্টের এক সেট অরিজিনাল এবং এক সেট অ্যাটাস্টেড কপি। এডুকেশনাল সার্টিফিকেট এবং একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের এক সেট কপি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অ্যাটাস্টেশন করানোর পর দিল্লিতে অবস্থিত স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসি থেকে অ্যাটাস্টেড করাতে হবে;
*ইংলিশ প্রোফিসিয়েন্সি টেস্ট রিপোর্ট, যদিও স্লোভাকিয়াতে ইংলিশ প্রোফিসিয়েন্সি টেস্ট রিপোর্ট সেভাবে বাধ্যতামূলক নয়;
*জন্মনিবন্ধন সনদের কপি। জন্মনিবন্ধন সনদ অবশ্যই ইংরেজিতে হতে হবে এবং মিনিস্ট্রি অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে;

স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসি ৯০ দিনের বেশি পুরোনো কোনো ডকুমেন্ট অ্যাকসেপ্ট করে না। ভিসা অ্যাপ্লিকেশনের অংশ হিসেবে সবাইকে ইন্টারভিউ দিতে হয় এবং একই সঙ্গে অ্যাম্বাসি কর্তৃপক্ষ বায়োম্যাট্রিক নেয়। আপনি যে সব ডকুমেন্ট অ্যাম্বাসিতে জমা দেবেন, সেসব ডকুমেন্টের সঙ্গে আরও এক সেট ফটোকপি অ্যাম্বাসি জমা রাখে। অনেক সময় অ্যাম্বাসির পক্ষ থেকে অনেক ডকুমেন্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অ্যাটাস্টেড করানোর পর স্লোভাকিয়ার অ্যাম্বাসি থেকে লিগালাইজ করতে বলা হয়। এ ছাড়া ভিসা কিংবা ইমিগ্রেশন–সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়ম মাঝেমধ্যে পরিবর্তিত হয়। এ জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে নিয়মিত অ্যাম্বাসির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা ও তাদের ওয়েবসাইট চেক করা।

ভিসা ইন্টারভিউয়ের দিন থেকে শুরু করে কমপক্ষে ১৫ কার্যদিবস সময় লাগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হাতে আসতে।

default-image

স্থানীয় ভাষা জানা থাকলে মিলতে পারে চাকরি
দীর্ঘদিন কমিউনিজমভিত্তিক শাসনব্যবস্থা প্রচলিত থাকায় স্লোভাকিয়া অর্থনৈতিক দিক থেকে পশ্চিম ইউরোপের দেশ যেমন: গ্রেট ব্রিটেন, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড এসব দেশ থেকে অনেক পিছিয়ে। তাই বাইরের দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য এখানকার সামগ্রিক পরিবেশ হয়তো সে রকমভাবে জব ফ্রেন্ডলি না। তবে স্থানীয় ভাষা জানা থাকলে আপনার জব পেতে সুবিধা হবে। এ ছাড়া দেশটিতে আয়ের হার খুব বেশি একটা ভালোও না। তবে ইইউভুক্ত অন্যান্য দেশের চেয়ে স্লোভাকিয়াতে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক কম। বিখ্যাত ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য ইকোনমিস্টের এক জরিপ অনুযায়ী স্লোভাকিয়া ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল দেশগুলোর মধ্যে একটি।

আছে পারমান্যান্ট রেসিডেন্টের সুযোগ
এবার আসি পিআর বা পারমান্যান্ট রেসিডেন্স প্রসঙ্গে। আমাদের দেশ থেকে যারা ইউরোপ, আমেরিকা অথবা অস্ট্রেলিয়ায় কিংবা নিউজিল্যান্ডে পাড়ি জমান, তাদের অনেকেরই লক্ষ্য থাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর সে দেশে স্থায়ীভাবে থেকে যাওয়া।

স্লোভাকিয়ার ইমিগ্রেশন পলিসি দীর্ঘ মেয়াদে যাঁরা দেশটিতে বসবাস করতে চান, তাঁদের জন্য খুব বেশি একটা সুবিধাজনক নয়। দেশটির মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী টানা ৫ বছর বৈধভাবে বসবাস করার পর স্লোভাকিয়াতে পারমান্যান্ট রেসিডেন্টের জন্য আবেদন করা যায়। তবে বাস্তবে পারমান্যান্ট রেসিডেন্ট পেতে অনেকের ৮ থেকে ১০ বছর সময় লেগে যায়। আর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে চাইলে স্লোভাকিয়ার স্থানীয় ভাষা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাসের ওপর দক্ষতা প্রয়োজন হয় এবং আপনার মাসিক আয় দেশটির একজন গড়পড়তা বাসিন্দার মতো হতে হবে। পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো দীর্ঘদিন সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রচলিত থাকার কারণে স্লোভাকিয়ার মানুষ পশ্চিম ইউরোপিয়ানদের মতো ইমিগ্র্যান্ট ফ্রেন্ডলি না, একই সঙ্গে স্লোভাকিয়ানরা জাতি হিসেবে অনেকটা রক্ষণশীল। মূলত মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, বিশেষত যাঁরা উচ্চশিক্ষার জন্য ইউরোপে আসতে আগ্রহী কিন্তু পারিবারিক অবস্থা খুব একটা উচ্চ নয়, তাঁদের জন্য স্লোভাকিয়া হতে পারে একটি আদর্শ জায়গা।


*লেখক: রাকিব হাসান রাফি, শিক্ষার্থী, ইউনিভার্সিটি অব নোভা গোরিছা, স্লোভেনিয়া।

বৃত্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন