আবেদনের যোগ্যতা

আবেদনকারীর বয়স ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি ২৫ থেকে ৩৮ বছরের মধ্যে হতে হবে। বাংলাদেশ বা সিএসপির জন্য যোগ্য অন্য কোনো দেশের নাগরিক হতে হবে। বাংলাদেশি নাগরিক হলে অবশ্যই বাংলাদেশে অবস্থানরত ও কর্মরত হতে হবে। স্বেচ্ছাসেবী বা কর্মী হিসেবে সমাজভিত্তিক উন্নয়নকাজে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। নিজ দেশের জনসমাজের পক্ষে কর্মরত শরণার্থী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ বিবেচনা করা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে আগে পড়াশোনা, প্রশিক্ষণ বা গবেষণায় অংশ নিলে আবেদন করতে পারবেন না। আবেদনকারীর ইংরেজিতে কথা বলা ও লেখার উচ্চদক্ষতা থাকতে হবে। টোফেল বা আইইএলটিএসের স্কোর থাকতে হবে। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকার মানসিকতা থাকতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা স্থায়ী অধিবাসী থাকলে এবং গত তিন বছরের মধ্যে স্থায়ী বসবাসের সুযোগের আবেদন করলে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। আইআরইএক্সের কর্মী/কনসালট্যান্ট বা কর্মীর পরিবারের সদস্য আবেদন করতে পারবেন না। প্রোগ্রাম শেষে দুই বছরের মধ্যে নিজ দেশে ফেরত আসার অঙ্গীকার করতে হবে।

ফেলোশিপের সুবিধা

নির্বাচিত প্রার্থী যুক্তরাষ্ট্রের জে–১ ভিসা পাবেন। নিজ দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা–যাওয়ার ভ্রমণ খরচ; বাসা ভাড়া, খাবার ও জীবনযাপনের ব্যয় বাবদ মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। এ ছাড়া দুর্ঘটনা ও অসুস্থতাজনিত স্বাস্থ্যসুবিধা দেওয়া হবে।

ফেলোশিপে যা থাকবে
সিএসপি হলো নিজ নিজ জনসমাজের জটিল অর্থনৈতিক, পরিবেশগত, রাজনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কর্মরত সামাজিক নেতাদের জন্য বছরব্যাপী পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম। এ কার্যক্রমের আওতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে একটি সমাজভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর বা আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চার মাসব্যাপী ফেলোশিপ।

এ ফেলোশিপ হলো যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা অর্জনের আগে, চলাকালে ও পরে কমিউনিটি লিডারশিপ ইনস্টিটিউট থেকে সশরীর ও অনলাইনে সিএসপি ফেলোর প্রয়োজন অনুযায়ী প্রণীত শিখন ও পাঠ গ্রহণের ব্যবস্থা।
কমিউনিটি লিডারশিপ ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ, ব্যবহারিকভাবে শেখার অভিজ্ঞতা এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রণীত ফেলোশিপের মাধ্যমে সিএসপি ফেলোদের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামাজিক কাজের মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জনসহ তাঁদের দক্ষতা ও জ্ঞান এবং তাঁদের নিজ দেশে নেতৃত্বদান ও উন্নয়নকাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

বাংলাদেশে সমাজভিত্তিক উদ্যোগের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক উন্নয়নে বহু বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে তাঁরা পারস্পরিক সমঝোতার দূত হিসেবেও কাজ করেন।

নির্বাচন প্রক্রিয়া

এই ফেলোশিপ একটি মেধাভিত্তিক প্রোগ্রাম। শুরুতে সব আবেদন একটি নির্বাচন প্যানেল পর্যবেক্ষণ করবে। এরপর ওই প্যানেল সেখান থেকে সাক্ষাৎকারের জন্য সেমিফাইনালিস্ট নির্বাচন করবে। সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে চূড়ান্ত ও বিকল্প প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। এসব প্রার্থীকে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে অথবা সম্প্রতি টোফেল বা আইইএলটিসের স্কোর জমা দিতে হবে। এর ভিত্তিতে ২০২৩ সালের মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে ফেলোশিপে অংশ নিতে যাওয়া চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রস্তুত করা হবে। ওই বছরের আগস্টে নির্বাচিত প্রার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থিত থাকতে হবে।

আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের এই ওয়েবসাইট থেকে ফেলোশিপসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জেনে Apply Now-এ ক্লিক করে আবেদন করতে হবে। আবেদনপ্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে জানা যাবে। সিএসপি কার্যক্রমের ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন থাকলে [email protected] ঠিকানায় মেইল করে জানা যাবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২ নভেম্বর ২০২২, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত (ওয়াশিংটন ডিসি সময়)।