বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাংহাই ল জার্নালের প্রতিবেদনে মামলাটি সবিস্তারে লেখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সিয়াওফাং নামের এক ছাত্রী তাঁর আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্সের সঙ্গে চার্জার না পেয়ে বেশ হতাশ হন।

সিয়াওফাং যুক্তি দেখান, বাক্সে যে কেব্‌ল দেওয়া হয়েছে, তা ইউএসবি-সি থেকে লাইটনিং কেব্‌ল। আগের মডেলের আইফোনগুলোর সঙ্গে যে চার্জার দেওয়া হতো, নতুন কেব্‌লটি সেগুলোর উপযুক্ত না। এর অর্থ, গ্রাহকেরা আগের চার্জার ব্যবহার করতে পারবেন না, বরং নতুন করে ইউএসবি-সির উপযুক্ত কিংবা তারহীন প্রযুক্তির চার্জার কিনতে হবে।

ভাইস সাময়িকীর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিয়াওফাংয়ের দাবি, আইফোনের সঙ্গে চার্জার না দেওয়ার পেছনে অ্যাপলের কারণ হলো তারহীন চার্জারের বিক্রি বাড়ানো। অ্যাপলের সে সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করছে মুনাফা। আর পরিবেশের সুরক্ষার কথা কেবলই ফাঁকি।

default-image

দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিয়াওফাং এবং তাঁর সহপাঠীরা অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন বেইজিং ইন্টারনেট আদালতে। মামলায় তাঁরা একটি চার্জার এবং মাত্র ১৬ ডলার চেয়েছে। চুক্তি ভঙ্গ এবং মামলার ব্যয় নির্বাহের জন্য ওই অর্থ চাওয়া হয়।

সাংহাই ল জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপলের প্রতিনিধির যুক্তি ছিল, চার্জার ছাড়া ফোন বিক্রি করা এখন খুব সাধারণ বিষয় এবং আইফোন ১২-এর মোড়কে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে ভেতরে কোনো চার্জার নেই।

এদিকে বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলাটি এখনো বিচারাধীন এবং চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবোতে এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের সমর্থন জানাচ্ছেন সবাই। তবে অ্যাপলকে এত সামান্য অর্থের জন্য মামলা করা আপাতদৃষ্টিতে অদ্ভুত মনে হলেও এখানে তাঁদের উদ্যোগটাই গুরুত্বপূর্ণ।

default-image

গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঙ্গে অতিরিক্ত খাবার আনতে না দেওয়ায় এক চীনা শিক্ষার্থী ২০১৯ সালে সাংহাই ডিজনি রিসোর্টের বিরুদ্ধে মাত্র ৭ ডলারের জন্য মামলা করেন। পরে ডিজনি অপরাধ স্বীকার করে নিয়ে অর্থ পরিশোধে রাজি হয়।

আইফোনের সঙ্গে চার্জার না দেওয়ার জন্য এর আগেও মামলার মুখে পড়েছে অ্যাপল। আইফোন ১২-এর সঙ্গে চার্জার না দেওয়ায় অ্যাপলকে ২০ লাখ ডলার জরিমানা করেন ব্রাজিলের আইনপ্রণেতারা। তাঁরা যুক্তি দেখিয়েছিলেন, চার্জার ছাড়া আইফোন বিক্রি করে অ্যাপল গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করছে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন