বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অথচ হোয়ার্লপুল ছায়াপথের সম্ভাব্য এক্সোপ্ল্যানেটটির অবস্থান পৃথিবী থেকে প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে। মিল্কিওয়ের এক্সোপ্ল্যানেটগুলোর তুলনায় সেটির দূরত্ব হাজারো গুণ বেশি।

দুটি নক্ষত্র যখন তাদের সাধারণ ভরকেন্দ্রকে প্রদক্ষিণ করে, তখন বলা হয় বাইনারি নক্ষত্র। আর যে বাইনারি নক্ষত্রগুলো থেকে এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয়, সেগুলোকে বলা হয় এক্স-রে বাইনারি। এক্স-রে বাইনারিতে সাধারণত একটি নিউট্রন নক্ষত্র কিংবা কৃষ্ণগহ্বর থাকে। গবেষক দলটি এক্স-রে বাইনারি থেকে নির্গত রশ্মির তারতম্যে চোখ রাখেন।

মহাকাশের যে অঞ্চলটি থেকে উজ্জ্বল এক্স-রে আসে, সেটি বেশ ছোট। এর সামনে দিয়ে কোনো গ্রহ পেরিয়ে গেলে সে আলোর প্রায় সবটুকুই ঢেকে যায়। সে কারণেই অনেক দূরের এক্সোপ্ল্যানেটও শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

default-image

তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আসলেই গ্রহ শনাক্ত করেছেন কি না, তা শিগগিরই নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। কক্ষপথ বড় হওয়ায় আগামী ৭০ বছরে সেটি বাইনারি সঙ্গীর সামনে আসবে না। সে কারণেই নিশ্চিত হতে দশকের পর দশক লেগে যাবে।

গবেষণাপত্রটির সহলেখক যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাট সান্তা ক্রুজের জ্যোতিঃপদার্থবিদ নিয়া ইমারা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, আমরা যে আসলেই গ্রহ দেখেছি, তা নিশ্চিত করতে সেটি আরেক দফা দেখার জন্য হয়তো দশকের পর দশক লেগে যাবে। কক্ষপথে একবার আবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় সময় নিয়ে এই অনিশ্চয়তার জন্য আমরা জানি না আবার কখন সেখানে চোখ রাখতে হবে।’

যদি গ্রহ হয়, তবে সেটিকে সুপারনোভা বিস্ফোরণে টিকে থাকতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। সেই বিস্ফোরণেই নিউট্রন নক্ষত্র বা কৃষ্ণগহ্বরের সৃষ্টি। আর ভবিষ্যতে সঙ্গী নক্ষত্রটিরও সুপারনোভা বিস্ফোরণ হতে পারে, যখন গ্রহটিও আবার বিস্ফোরিত হবে।

গবেষকেরা এবার অন্যান্য ছায়াপথে সম্ভাব্য এক্সোপ্ল্যানেটের খোঁজে নাসার চন্দ্র এবং ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির এক্সএমএম-নিউটন উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত পুরোনো তথ্য ঘেঁটে দেখবেন।

গবেষণাপত্রটি নেচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশ করা হয়।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন