বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সব ডিভাইসে এক চার্জার ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার শেষ ধাপ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইকো-ডিজাইন আইনে পরিবর্তন। অদূর ভবিষ্যতে সে আইনেও পরিবর্তন আনা হবে, বলেছেন নির্বাহীরা।

কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অ্যাপল তাদের লক্ষ্য নয়। দশকজুড়ে আলোচনার পরও প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ চার্জার ব্যবহারের সিদ্ধান্তে একমত হতে পারেনি বলেই এমন প্রস্তাব। অবশ্য সে আলোচনা একদম বিফলেও যায়নি। ৩০ ধরনের চার্জার থেকে এখন তিনটিতে এসে ঠেকেছে।

প্রস্তাবটির বিরোধিতা করছে অ্যাপল। এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কেবল একধরনের চার্জিং কানেক্টর রাখতে কঠোর আইন করা হলে তাতে উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেওয়ার বদলে বাধাগ্রস্ত হবে।

default-image

আইনটি পাস হলে ২৪ মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করার ব্যাপারেও দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছে অ্যাপল।

সংবাদ সম্মেলনে অভ্যন্তরীণ বাজারবিষয়ক ইউরোপীয় কমিশনার থিয়েরি বুটন চার্জিং কেব্‌লের উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আমার কাজ হলো সুযোগ পাওয়ামাত্র এই সামুদ্রিক সাপগুলোকে শেষ করা।’

অ্যাপলের বিবৃতির ব্যাপারে বুটন বলেছেন, ‘আমি এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনেক বছর ধরে জানি। আমরা প্রস্তাব দিলেই তারা বলতে শুরু করে “ওহ এটা উদ্ভাবনের বিরুদ্ধে”। না, এটা উদ্ভাবনের বিরুদ্ধে নয়, এটা কারও বিরুদ্ধেই নয়।’

default-image

মুঠোফোনভেদে ভিন্ন চার্জার ব্যবহারের ব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন আইফোন এবং অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা। আইফোন চার্জ করায় লাইটনিং কানেক্টর ব্যবহার করা হলেও অ্যান্ড্রয়েডচালিত ডিভাইস চার্জ করায় ব্যবহার করা হয় ইউএসবি-সি কিংবা মাইক্রো-ইউএসবি কানেক্টর।

ইউরোপীয় কমিশনের এক জরিপে দেখা যায়, ২০১৮ সালে মুঠোফোনের সঙ্গে বিক্রি করা অর্ধেক চার্জার ছিল মাইক্রো-ইউএসবি (ইউএসবি মাইক্রো-বি) কানেক্টরের। বাকি অর্ধেকের ২৯ শতাংশ ইউএসবি-সি এবং ২১ শতাংশ ছিল অ্যাপলের লাইটনিং কানেক্টর।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যরাষ্ট্র ও আইনপ্রণেতাদের কাছ থেকে প্রস্তাবনাটি সবুজ সংকেত পেলে আইন অনুযায়ী কাজ করার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো দুই বছর সময় পাবে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন