বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

আইফোন ১৩

অ্যাপলের ঘোষণা অনুযায়ী, আইফোন ১৩-এর দাম শুরু হচ্ছে ৮২৯ ডলার থেকে। সে দামে পাওয়া যাবে ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের সংস্করণটি। ২৫৬ গিগাবাইটে কিনলে দাম পড়বে ৯২৯ ডলার এবং ১ হাজার ১২৯ ডলারে মিলবে ৫১২ গিগাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৩।

অর্থাৎ ১ বিটকয়েনে ১২৮ গিগাবাইটের ৫৮টি, ২৫৬ গিগাবাইটের ৫২টি কিংবা ৫১২ গিগাবাইটের ৪৩টি আইফোন ১৩ পাওয়া যাবে।

আইফোন ১৩ মিনি

নামে ‘মিনি’ থাকলেও আইফোন ১৩ মিনির দাম খুব একটা কম নয়। ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৩ মিনির দাম পড়বে ৭২৯ ডলার। ৮২৯ ডলার এবং ১ হাজার ২৯ ডলারে যথাক্রমে ২৫৬ গিগাবাইট এবং ৫১২ গিগাবাইটের আইফোন ১৩ মিনি পাওয়া যাবে।

সে দাম অনুযায়ী ১ বিটকয়েনের বিনিময়ে ১২৮ গিগাবাইটের ৬৬টি, ২৫৬ গিগাবাইটের ৫৮টি কিংবা ৫১২ গিগাবাইটের ৪৭টি আইফোন ১৩ মিনি পাওয়া যাবে।

default-image

আইফোন ১৩ প্রো

এই প্রথম ১ টেরাবাইট স্টোরেজে বাজারে আসছে আইফোন। পাওয়া যাবে আইফোনের প্রো সিরিজে। ১ টেরাবাইটের আইফোন ১৩ প্রোর দাম পড়বে ১ হাজার ৪৯৯ ডলার। আর ১২৮ গিগাবাইট, ২৫৬ গিগাবাইট এবং ৫১২ গিগাবাইট সংস্করণে কিনতে চাইলে গুনতে হবে যথাক্রমে ৯৯৯ ডলার, ১ হাজার ৯৯ ডলার এবং ১ হাজার ২৯৯ ডলার।

১ বিটকয়েনে ১২৮ গিগাবাইটের ৪৮টি, ২৫৬ গিগাবাইটের ৪৪টি, ৫১২ গিগাবাইটের ৩৭টি কিংবা ১ টেরাবাইটের ৩২টি আইফোন ১৩ প্রো পাওয়া যাবে।

default-image

আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স

নতুন আইফোনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স। দামটাও সবচেয়ে বেশি। ১২৮ গিগাবাইট, ২৫৬ গিগাবাইট, ৫১২ গিগাবাইট এবং ১ টেরাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের দাম পড়বে যথাক্রমে ১ হাজার ৯৯ ডলার, ১ হাজার ১৯৯ ডলার, ১ হাজার ৩৯৯ ডলার এবং ১ হাজার ৫৯৯ ডলার।

এবার বিটকয়েনের সঙ্গে বিনিময়ের পালা। শুরুতেই আমরা বলেছি, ১ বিটকয়েনের বিনিময়ে এখন ৪৮ হাজার ৬০০ ডলার পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই পরিমাণ ডলারে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স কিনতে চাইলে ১২৮ গিগাবাইটের ৪৪টি, ২৫৬ গিগাবাইটের ৪০টি, ৫১২ গিগাবাইটের ৩৪টি এবং ১ টেরাবাইট স্টোরেজের ৩০টি পাওয়া যাবে।

এবার বলুন তো, বেচারা ওয়াং সাংকুনের কাছে যদি বিটকয়েন থাকত, তবে কি আর তাঁকে কিডনি বেচতে হতো?

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন