বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সামিটে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল বাশার হাওলাদার, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, এমদাদুল হক সরকার, ইভা রিজওয়ানা নিলু, মো. হুমায়ূন কবীর ও আলমগীর আলম সরকার, ওয়ালটন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ইউনিটের (আইবিইউ) প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম, ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এস এম জাহিদ হাসান ও আমিন খান, ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফিরোজ আলম, ওয়ালটন টিভির চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) প্রকৌশলী মোস্তফা নাহিদ হোসেন, রেফ্রিজারেটরের সিবিও প্রকৌশলী আনিসুর রহমান মল্লিক, এয়ার কন্ডিশনারের সিবিও তানভীর রহমান, ওয়ালটন আইবিইউ শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রউফ, সাঈদ আল ইমরান প্রমুখ।

সামিটে জানানো হয়, ওয়ালটনের অন্যতম লক্ষ্য এখন বিশ্বের সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড হয়ে ওঠা। সে জন্য ওয়ালটন নির্ধারণ করেছে ‘ভিশন-গো গ্লোবাল ২০৩০’। এই লক্ষ্য অর্জনে রপ্তানি সম্প্রসারণের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন, চলতি অর্থবছরে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানির টার্গেট, বাজার সম্প্রসারণে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ইত্যাদি নির্ধারণে এই সামিটের উদ্যোগ নেয় ওয়ালটন আইবিইউ শাখা।

ইউরোপে পণ্য রপ্তানি ও বাজার সম্প্রসারণে সাফল্য অর্জন করায় সম্মেলনে আইবিইউ টিমকে অভিনন্দন জানান ওয়ালটন হাই-টেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও গোলাম মুর্শেদ। তিনি বলেন, বর্তমানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার মিলে ওয়ালটন পণ্যের প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের বাজার রয়েছে, যা কিনা আগামী ৯ বছরের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হবে। তাঁর দৃঢ় প্রত্যাশা, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ওয়ালটন পণ্যের রপ্তানি বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।

সম্মেলনে আইবিইউ শাখার প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম ‘ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ইনিশিয়েটিভ ফর ২০২১’ পেশ করেন। এর আওতায় ওয়ালটনের ‘ভিশন-গো গ্লোবাল ২০৩০’ অর্জনের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন ও চলতি অর্থবছরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে জানান। বিজ্ঞপ্তি

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন