বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিনি ও তাঁর সহকর্মীদের লেখা গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্স অ্যাডভান্স জার্নালে। শুরুতে ইতালির সারদিনিয়ায় মৌচাক পর্যবেক্ষণ করেন তাঁরা। এরপর প্রাকৃতিকভাবে পরজীবী কীটে আক্রান্ত মৌচাকে চোখ রাখেন। সবশেষে সংক্রমণহীন মৌমাছিগুলোর আচরণ বিশ্লেষণ করেন।

মৌচাকগুলোর ধারণকৃত ভিডিও পর্যবেক্ষণ করে গবেষকেরা বুঝলেন, যখন মৌচাকে পরজীবী কীটের সংক্রমণ বেড়ে যায়, তখন খাদ্যের খোঁজে থাকা মৌমাছিগুলো (সচরাচর কলোনির জ্যেষ্ঠ সদস্য) বিশেষ নৃত্য পরিবেশন করে চাকের অন্যান্য মৌমাছিকে খাদ্যের উৎস দেখিয়ে দেয়। এই নৃত্য সাধারণত মৌচাক থেকে খানিকটা দূরে কোথাও পরিবেশন করা হয়। মৌচাকে সে সময় রানি ও তুলনামূলক কম বয়সী মৌমাছি থাকে।

চিনি বলেছেন, এতে হয়তো সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে কিংবা ক্ষতির পরিমাণ কমানো যায়। খাদ্যের খোঁজে থাকা মৌমাছিগুলোর মাধ্যমেই মূলত ভ্যারোয়ার সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকে। সুতরাং সেগুলো যতটা দূরে থাকবে, কলোনির মধ্যে পরজীবী কীটের সংক্রমণ তত কম হবে।

এরপর গবেষণাগারে পরীক্ষা করেন তাঁরা। ১২টি কম বয়সী মৌমাছিকে কৃত্রিমভাবে সংক্রমিত করে সংক্রমিত না হওয়া মৌমাছির সঙ্গে তুলনা করা হয়। তবে এবার মৌমাছিগুলোর মধ্যে আর সামাজিক দূরত্ব দেখা না গেলেও সংক্রমিত মৌমাছিগুলোর মধ্যে শরীর পরিষ্কার (গ্রুমিং) করার হার তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়। আর অসংক্রমিত দলটির তুলনায় নিজেদের মধ্যে খাদ্য বেশি ভাগাভাগি করেছে সংক্রমিত দলটি।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন