বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৯

যাঁরা পেয়েছেন: যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম কেলিন ও গ্রেগ সিমেনজা এবং যুক্তরাজ্যের পিটার র‍্যাটক্লিফ।

যে কারণে পেয়েছেন: অক্সিজেনের মাত্রা বুঝে মানবকোষ কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় এবং মানিয়ে নেয়, তা বুঝতে সাহায্য করে এই তিন বিজ্ঞানীর গবেষণা।

২০১৮

যাঁরা পেয়েছেন: যুক্তরাষ্ট্রের জেমস পি অ্যালিসন এবং জাপানের তাসুকু হোনজো।

যে কারণে পেয়েছেন: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কাজে লাগিয়ে ক্যানসার চিকিৎসার নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান।

২০১৭

যাঁরা পেয়েছেন: যুক্তরাষ্ট্রের জেফরি হল, মাইকেল রসব্যাশ এবং মাইকেল ইয়ং।

যে কারণে পেয়েছেন: শরীরের ভেতরের জৈব ঘড়ি আবিষ্কারের জন্য নোবেল পান। এই ঘড়ি সিংহভাগ জীবের ঘুম-জাগরণের চক্র নির্ধারণ করে।

২০১৬

যাঁরা পেয়েছেন: জাপানের ইয়োশিনোরি ওহশোমি।

যে কারণে পেয়েছেন: অটোফেজি নিয়ে কাজ করার জন্য নোবেল পান। শরীরের কোষগুলোর ‘নিজেদের খেয়ে ফেলা’র প্রক্রিয়া এটি, যা একপর্যায়ে পারকিনসনস এবং ডায়াবেটিসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

২০১৫

যাঁরা পেয়েছেন: মার্কিন নাগরিক উইলিয়াম ক্যাম্পবেল, জাপানের সাতোশি অমুরা এবং চীনের তু ইউইউ।

যে কারণে পেয়েছেন: ম্যালেরিয়া ও কেঁচো কৃমির চিকিৎসাপদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য নোবেল পান।

২০১৪

যাঁরা পেয়েছেন: যুক্তরাজ্যের জন ও’কিফে এবং নরওয়ের এডভার্ড আই মোজার ও মে-ব্রিট মোজার।

যে কারণে পেয়েছেন: ‘অভ্যন্তরীণ জিপিএস’ ব্যবস্থার সাহায্যে মস্তিষ্কের পথনির্দেশ পদ্ধতি আবিষ্কার করেন তাঁরা।

default-image

২০১৩

যাঁরা পেয়েছেন: যুক্তরাষ্ট্রের টমাস সি সুডহফ, জেমস ই রথমান এবং র‍্যান্ডি ডব্লিউ শেকমান।

যে কারণে পেয়েছেন: কোষের পরিবহনব্যবস্থা বিন্যস্তের প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য নোবেল পান তাঁরা।

২০১২

যাঁরা পেয়েছেন: জাপানের শিনিয়া ইয়ামানাকা এবং যুক্তরাজ্যের জন বি গুরডন।

যে কারণে পেয়েছেন: পরিপক্ব কোষকে কীভাবে স্টেম কোষে ফিরিয়ে নেওয়া যায়, তা দেখানোর জন্য নোবেল পুরস্কার পান তাঁরা।

আগামীকাল থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত একে একে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেলের ঘোষণা আসবে। ১১ অক্টোবর অর্থনীতিতে ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হবে নোবেলের এবারের আসর।
প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন