বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান আশা করেন, যারা এসব হাইটেক পার্কে কাজ করবে, তারা মানসম্পন্ন পণ্য তৈরি করবে। তিনি বলেন, দেশে পোশাকশিল্পের বিকাশ হওয়ার পেছনে প্রধান সহায়ক ছিল সস্তা শ্রম। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তিতে সস্তা শ্রমের সুযোগ নেই। এখানে উন্নতমানের, প্রশিক্ষিত ও দক্ষ শ্রম লাগবে। সে লক্ষ্যে সরকার অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি দক্ষতার উন্নয়নেও কাজ করছে।

তথ্যপ্রযুক্তির খাতে বিভিন্ন অগ্রগতি তুলে ধরে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। ১২ বছর আগে তথ্যপ্রযুক্তিশিল্প বলে কিছুই ছিল না। এখন এই শিল্পে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন রপ্তানি আয় হচ্ছে। দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এমনি এমনি কাকতালীয় হয় না। একজন রাজনৈতিক নেতার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, ইচ্ছা ও বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে একটা জাতি এগিয়ে যায়। গত ১২ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে ডিজিটাল বিপ্লব সফল হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, একজন সরকারপ্রধানের অদূরদর্শিতা ও দুর্নীতির কারণে একটা দেশ কতখানি পিছিয়ে যায়, তার প্রমাণ বিএনপি-জামায়াত সরকার এবং হাওয়া ভবন-তারেক জিয়ার দুর্নীতি। এখন দেশের মানুষকেই আগামী দিনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্র হবে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন পূরণ করে, নাকি একটা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে। এ সিদ্ধান্ত দেশের ভোটারদের নিতে হবে।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) এ এন এম শফিকুল ইসলামসহ নয়টি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারেরা।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন