বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞানীরা গত মাসের ২৬ এপ্রিল কাজে লেগে যান। পরবর্তী এক সপ্তাহ ধরে নানা ধরনের পরিকল্পনা করেন। প্রতিদিন তাঁদের গ্রহাণুর কাল্পনিক অবস্থান সম্পর্কে হালনাগাদ করা হতো।

তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বললেন, কাল্পনিক গ্রহাণুটি ৩৫ থেকে শুরু করে ৭০০ মিটারের মধ্যে যেকোনো আকারের হতে পারে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় দিনেই বিজ্ঞানীরা গ্রহাণুটির আঘাত হানার সম্ভাব্য স্থান সম্পর্কে জানান। বলেন, এখন থেকে ছয় মাস পর সেটি ইউরোপ এবং উত্তর আফ্রিকার বিশাল অঞ্চলজুড়ে আঘাত হানবে। তবে সপ্তাহ শেষে তাঁরা অনেকটা নিশ্চিত হন, জার্মানি এবং চেক রিপাবলিকের মাঝামাঝি কোথাও আঘাত হানার আশঙ্কা বেশি।

এর সবই কাল্পনিক ঘটনানির্ভর। তবে ওই বিজ্ঞানীরা একটি হতাশাজনক তথ্যও দিয়েছেন। কোনো গ্রহাণু যদি সত্যি সত্যি ধেয়ে আসে, তো চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না। সেটি ঠেকিয়ে দেওয়ার মতো প্রযুক্তি এখনো আমাদের হাতে নেই। আর গতিপথ বদলে দিতে চাইলে কেবল ছয় মাসে তা সম্ভব না, আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

এক যৌথ বিবৃতিতে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ‘গ্রহাণুর কাল্পনিক ঘটনাটি যদি বাস্তবে ঘটে, তবে আমাদের বর্তমান সক্ষমতায় এত অল্প সময়ে কোনো নভোযান পাঠাতে পারব না আমরা।’

গ্রহাণুটি গুঁড়িয়ে দিতে পারমাণবিক বিস্ফোরক ব্যবহারের কথাও বলেছেন তাঁরা। গ্রহাণুটি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলেও তাতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কমিয়ে আনা যেতে পারে বলে মত বিজ্ঞানীদের। তবে যোগ করেছেন, বড় গ্রহাণুর বেলায় প্রচলিত পারমাণবিক অস্ত্র হয়তো পর্যাপ্ত কাজের নয়।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন