বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চীনের মানুষবিহীন নভোযানটি চাঁদের ‘ওসেনাস প্রসেলারাম’ নামের অঞ্চল নেমেছিল। অঞ্চলটি জমাট লাভায় পূর্ণ। আগে সেখানে কোনো নভোযান নামেনি। সে অভিযানে প্রায় ১ কেজি ৭৩১ গ্রাম চাঁদের মাটির নমুনা আনা হয় পৃথিবীতে।

চাং’ই-৫ অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল, চাঁদে কত সময় ধরে আগ্নেয়গিরি সক্রিয় ছিল। নিবন্ধনের লেখকেরা বলেছেন, ‘চাঁদের ওসেনাস প্রসেলারাম অঞ্চলকে উচ্চ পটাশিয়াম, থোরিয়াম ও ইউরেনিয়ামসমৃদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। এই উপাদানগুলো দীর্ঘ সময় ধরে তেজস্ক্রিয়তা হ্রাসের মধ্যে দিয়ে তাপ বিকিরণ করে আসছে।

সেখানে আরও বলা হয়েছে, ম্যাগমাটিক (লাভা-সংক্রান্ত) কার্যক্রমের তাপের উৎস হতে পারে তথাকথিত ‘টাইডাল-হিটিং’। আবার পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রভাবেও তাপ উৎপন্ন হতে পারে।

চাং’ই-৫ অভিযানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পর চীন বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে চাঁদের নমুনা আনল।

আগামী পাঁচ বছরের চাঁদে আরও মানুষবিহীন অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা আছে চীনের। চাং’ই-৬ এবং চাং’ই-৭ অভিযানগুলোতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন