বিজ্ঞাপন

নভোযানটি মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে কখন প্রবেশ করবে কিংবা কখন অবতরণ শুরু হবে, সেসব ব্যাপারে চীন অনেকটাই নিশ্চুপ। তবে বেশ কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সময় আগামীকাল শনিবার ভোর ৫টা ১১ মিনিটে অবতরণের প্রক্রিয়া শুরুর কথা বলা হয়েছে। ল্যান্ডার আর রোভার এখন অরবিটারের ভেতর নিরাপত্তাবেষ্টনীতে আবদ্ধ আছে। অরবিটার থেকে মুক্ত হয়ে সেটি এগিয়ে যাবে মঙ্গলের পৃষ্ঠের দিকে।
মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হবে ‘সেভেন মিনিটস অব টেরর’। বাংলা করলে দাঁড়ায়, আতঙ্কের সাত মিনিট। বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর থেকে ভূমি স্পর্শ করতে কমবেশি সাত মিনিটের মতো লাগে। এই সময়টুকু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযান পরিচালনাকারীরা আতঙ্কে তটস্থ হয়ে থাকেন। সে সময় রোভারসহ ল্যান্ডারটি থাকবে হিট শিল্ডের ভেতর। একপর্যায়ে হিট শিল্ড খুলে পড়বে, পতনের গতি কমাতে বেরিয়ে আসবে প্যারাসুট।

গত ফেব্রুয়ারিতে মঙ্গলে অবতরণ করে নাসার পারসিভারেন্স রোভার। সেবার ল্যান্ডার থেকে বিশেষায়িত ক্রেনের সাহায্যে অবতরণ করে রোভারটি। তবে জুরোংয়ের বেলায় ল্যান্ডারই অবতরণের সব কাজ করবে। অবতরণ সফল হলে ল্যান্ডার থেকে বেরিয়ে আসবে রোভার, শুরু হবে মঙ্গল অভিযান। দিকনির্দেশনার জন্য এতে থাকছে গুচ্ছের ক্যামেরা এবং লাইডার সেন্সর।

জুরোং অবতরণ করবে মঙ্গলের ‘ইউটোপিয়া প্ল্যানিশিয়া’ নামের অঞ্চলে। ১৯৭৬ সালে এ অঞ্চলেই অবতরণ করে নাসার ‘ভাইকিং ২’ ল্যান্ডার। সেবার তো মঙ্গলে জীবনের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছিলেন কিছু বিজ্ঞানী।

চীনের পরিকল্পনা হলো, মঙ্গলে ৯০ সোল থাকবে জুরোং। সোল হলো মঙ্গল গ্রহের দিন।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন