বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মাইনাররা এই সুযোগে এগিয়ে যায়। বিটকয়েন মাইনিংয়ে প্রয়োজনীয় কম্পিউটার যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও উত্তর আমেরিকা ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে মনোযোগী হয়ে ওঠে। আর মাইনিংয়ে যুক্ত বড় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চীন ত্যাগ করতে শুরু করে।

এতে মাইনিংয়ে সবচেয়ে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। আগস্টের শেষ নাগাদ বৈশ্বিক হ্যাশ রেটের ৩৫ দশমিক ৪ শতাংশ ছিল দেশটির দখলে। এরপর কাজাখস্তান ও রাশিয়ার অবস্থান।

default-image

নতুন বিটকয়েন তৈরির প্রক্রিয়ার নাম মাইনিং। সচরাচর বিশ্বের নানা প্রান্তের ডেটা সেন্টারগুলোতে উচ্চ ক্ষমতার কম্পিউটারে কাজটি করা হয়। জটিল গাণিতিক ধাঁধার সমাধান দিতে হয়, যার জন্য প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়।

বিশ্বের অনেক দেশের সরকারই বিটকয়েন মাইনিংয়ে চীনের মতো এতটা খড়্গহস্ত হয়নি। অনেক দেশ তো স্বাগতও জানিয়েছে। আর সেখানে গত মাসে আরও কঠিন নিয়ম আরোপ করে চীন। সব ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন নিষিদ্ধ করে।

চীনে বিটকয়েন মাইনিংয়ে যাঁরা হাত পাকিয়েছেন, তাঁদের হতাশা যেন যাচ্ছেই না। একসময়ের বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিটকয়েন মাইনিংপুল ‘এফটুপুল’-এর প্রতিষ্ঠাতা মাও শিহাং বলেন, ‘একজন ভেটেরান হিসেবে আমি আজকের এই অবস্থা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মনে করি।’

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন