বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একই সঙ্গে মহাজাগতিক রেডিয়েশনের কারণে আয়নিত হওয়ায়, তা স্পেসস্যুটের গায়ে লেগে থেকে স্যুট ড্যামেজ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করত। টিম মহাকাশ এ সমস্যার কার্যকর একটি সমাধান বের করে একটি টুল সেট উদ্ভাবন করে, যেটি এই ধূলিকণাগুলোকে আবদ্ধ চেম্বারে আটকে ফেলে এবং ধূলিকণাগুলোকে ভেসে থাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে দেয় না।

বাংলাদেশের এ সাফল্য প্রসঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ বলেছেন, তরুণদের নিয়ে গড়া খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বাউয়েট) সম্মিলিত টিম মহাকাশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব অর্জন করেছে। এ অর্জন ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার আরেকটি অনন্য দৃষ্টান্ত।

টিম মহাকাশের দলনেতা সুমিত চন্দ বলেন, ‘আমরা এমন একটা সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করেছি, যেটা নিয়ে নাসাসহ পৃথিবীর বড় বড় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এখনো গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা চাইলেই পৃথিবীর বড় বড় সমস্যার সমাধান বের করে ফেলতে পারে, সেটা আবারও দেখিয়ে দিয়েছি আমরা।’

এ অর্জন সম্পর্কে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, ২০১৮ সালেও বাংলাদেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দ্বিতীয়বারের মতো নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব অর্জন নিঃসন্দেহে বড় অর্জন।

বেসিস এবং বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের সহযোগিতায় আয়োজিত নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে আট শতাধিক প্রকল্প জমা পড়েছিল। সেরা ২৭টি প্রকল্প নাসার জন্য বাংলাদেশ থেকে মনোনীত করা হয়।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন