বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রকেট উড্ডয়নে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় কেন?

কোনো কিছু পোড়ানো মানে সেটার ‘অক্সিডাইজ’ করা। পৃথিবীতে আগুন জ্বালালে বাতাস থেকে অক্সিজেন টেনে নিতে পারে। তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পেরোলে সে সুযোগ আর থাকে না। তখন রকেটের নিজস্ব অক্সিজেনের দরকার হয়, তা-ও বিশাল পরিমাণে। ১৯২০-এর দশকে মার্কিন পদার্থবিদ রবার্ট এইচ গডার্ড রকেট ইঞ্জিনের পরীক্ষায় তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু করেন।

তরল অক্সিজেন কীভাবে তৈরি হয়?

তরল অক্সিজেন তৈরির জন্য প্রকৌশলীরা বাতাস টেনে নিয়ে অতি শীতল তাপমাত্রায় তা তরলে রূপান্তর করেন। এরপর সে তরল থেকে ডিস্টিলেশন বা অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন আলাদা করা হয়।

চিকিৎসায় রোগীদের অক্সিজেন দেওয়া মানে স্বাভাবিকের চেয়ে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ানো। চিকিৎসকেরা সেটাই নিশ্চিত করেন। সেটা শতভাগ নিখাদ অক্সিজেন হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে রকেটের বেলায়, নিখাদ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। কারণ, সেখানে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ব্যাপার আছে।

সংকট মোকাবিলা হবে কীভাবে?

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ইসবেন বিলেন সাময়িক এই অক্সিজেন সংকটকে গত বছরের টয়লেট পেপার সংকটের সঙ্গে তুলনা করেছেন। বেশি উৎপাদনের মাধ্যমে এ থেকে রেহাই পাওয়ার ব্যবস্থা হবে বলে মনে করেন তিনি। যাঁদের জরুরি দরকার, তাঁরা আগে পাবেন। তিনি বলেন, এটা সাময়িক ত্রুটি। সমস্যা যদি গুরুতর হয়, সরকার চাইলে প্রতিরক্ষা উৎপাদন আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করতে বলতে পারে।

প্রযুক্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন