সংক্ষেপে জেনে রাখি - হায়ারোগ্লিফিক লিপি, মানববসতি, আরপানেট, ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ে

হায়ারোগ্লিফিক লিপি

প্রায় ৫০০০ বছর আগে মিসরের নীলনদের তীরে গড়ে উঠেছিল মিসরীয় সভ্যতা। মিসরীয় সভ্যতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল ছবির মতো দেখতে একধরনের লিপি উদ্ভাবন। এই লিখন পদ্ধতিকে বলা হয় হায়ারোগ্লিফিক লিপি। হায়ারোগ্লিফিক শব্দের অর্থ পবিত্র খোদাইকৃত লিপি। এ লিখন পদ্ধতিতে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২০০০ প্রতীক ছিল।

মানববসতি

পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মানুষ কোনো অঞ্চলে যখন সম্মিলিত আশ্রয়স্থল গড়ে তোলে, যেখানে মানুষ তার দৈনন্দিন কাজকর্ম সম্পন্ন করে এবং যাতায়াতের পথ তৈরি করে, তখন তাকে জনবসতি বা মানববসতি বলে।

আরপানেট

Advanced Research Project Agency Network এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ARPANET। আরপানেট–এর মাধ্যমেই প্রথম ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৬৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ল্যাবরেটরিতে আরপানেটের মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রথম কম্পিউটার যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপিত হয়।

ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ে

পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে সহজে ও অল্প সময়ে তথ্য পৌঁছানোর জন্য যে রাস্তা বা হাইওয়ে ব্যবহৃত হয় তাকে ‘ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ে’ বলে। তথ্যের অবাধ প্রবাহের জন্য ইনফরমেশন হাইওয়ে প্রয়োজন। কম্পিউটার, ইন্টারনেট, নতুন সফটওয়্যার, অপটিক্যাল ফাইবার ইত্যাদি নিয়ে এই সুপার হাইওয়ে তৈরি হয়।

আরও পড়ুন