দীপু মনি বলেন, ‘আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, তখনো বর্তমান সরকার বই থেকে দূরে যাওয়ার কথা বলেনি। ঠিক তেমনি বইয়ের চাহিদার কারণে প্রকাশনাশিল্প গত কয়েক বছরে উন্নত ও আধুনিক হয়েছে।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিক্ষাসংশ্লিষ্ট যাঁরা আছেন, তাঁরা আমাদের শিক্ষা পরিবারের সদস্য। তাঁদের এই আয়োজনে সাধুবাদ জানাই।’

আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, তখনো বর্তমান সরকার বই থেকে দূরে যাওয়ার কথা বলেনি। ঠিক তেমনি বইয়ের চাহিদার কারণে প্রকাশনাশিল্প গত কয়েক বছরে উন্নত ও আধুনিক হয়েছে।
দীপু মনি, শিক্ষামন্ত্রী

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. আরিফ হোসেন ছোটন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) সহসভাপতি কায়সার-ই-আলম প্রধান, শ্যামল পাল, মির্জা আলী আশরাফ কাশেম, মেহেদী হাসান, মাজহারুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি আলমগীর সিকদার।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ পুস্তক বাঁধাই মালিক সমিতি, নয়াবাজার পেপার মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, পুরান ঢাকা কালি ব্যবসায়ী সমিতি, বাংলাদেশ মটরপার্টস ও টায়ার টিউব ব্যবসায়ী সমিতি ও ঘড়ি ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা।

অনুষ্ঠানে আয়োজিত প্রদর্শনীমূলক বইমেলা উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতিসহ কর্মকর্তারা শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে মেলা পরিদর্শন করেন। এরপর ‘প্রকাশনা শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি ও আমাদের ভাবনা’ শীর্ষক লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সহসভাপতি শ্যামল পাল।

বার্ষিক সাধারণ সভায় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির পরিচালকসহ দেশের ৬৪ জেলা ও উপজেলা শাখার নেতারা বিপুলসংখ্যক পুস্তক ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।