এ ছাড়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অবকাঠামোগত বিবেচনা করে বিদ্যালয়গুলো সমন্বয়ও করা হবে। এ বিষয়ে সচিব বলেন, এখন দুই কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে, এক কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে, আবার তিন কক্ষের বিদ্যালয়ও আছে। দুই কক্ষে কোনোভাবেই ছয়টি ক্লাস চালানো সম্ভব নয়। আবার রাতারাতি ভবনও নির্মাণ করা যাবে না। এসব বিবেচনা করে দেশের সব বিদ্যালয়কে এক পালায় (শিফটে) আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে কোনো বিদ্যালয় বন্ধ হচ্ছে না, কোনো শিক্ষকও চাকরি হারাচ্ছেন না। সবই ঠিক থাকছে। কেবল কাজটি ভাগ করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এমনও দেখা যেতে পারে, যেখানে দুই কক্ষ আছে, সেখানে প্রাক্‌-প্রাথমিক থাকবে।

শিক্ষার্থী, শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষকের সংখ্যা বিবেচনা করে দেশের সব বিদ্যালয়কে এক পালায় (শিফটে) আনার পরিকল্পনা করেছি। এ ব্যাপারে কাজ প্রায় ৯০ ভাগ সমাপ্ত হয়েছে।
মো. আমিনুল ইসলাম খান, বিদায়ী জ্যেষ্ঠ সচিব

কবে নাগাদ এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি, আগামী জানুয়ারি থেকেই এটা করতে পারব। পুরোটা না পারলেও নিশ্চয়ই অনেকটা করতে পারব বলে আশা করছি।’

সে ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের সময় কখন থেকে কখন পর্যন্ত হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, এখন মহানগর এলাকায় গ্রীষ্মকাল ও শীতকালের জন্য একধরনের সময় আছে, আবার গ্রামের বিদ্যালয়ে একটু দেরি করে ক্লাস শুরু হয়। এটি নিয়ে এখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

মতবিনিময়ের সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বিদায়ী জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খানকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে জ্যেষ্ঠ সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আজ তাঁর শেষ কর্মদিবস। এ উপলক্ষেই সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। সেখানেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তের কথা উঠে আসে।