অধ্যায় ২
আঞ্চলিক ভাষা: বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষায় পার্থক্য দেখা যায়। অঞ্চলভেদে একই ভাষার উচ্চারণ ও শব্দে বৈচিত্র্য থাকে। ভাষার এই ভিন্ন ভিন্ন রূপকে বলা হয় আঞ্চলিক ভাষা। আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করলে এক অঞ্চলের মানুষের ভাষা অন্য অঞ্চলের মানুষ সহজে বুঝতে পারে না।
প্রমিত ভাষা: আঞ্চলিক ভাষার সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রমের জন্য প্রমিত ভাষা ব্যবহার করা হয়। প্রমিত ভাষা হচ্ছে ভাষার আদর্শ রূপ। এ ভাষায় কথা বললে সব অঞ্চলের মানুষ সহজে বুঝতে পারবে।
প্রমিত ভাষার দুটি রূপ আছে:
১. কথ্য প্রমিত: আনুষ্ঠানিক কথা বলার জন্য কথ্য প্রমিত ভাষা ব্যবহার করা হয়।
২. লেখ্য প্রমিত: লিখিত যোগাযোগের জন্য লেখ্য প্রমিত ভাষা ব্যবহার করা হয়।
প্রিয় শিক্ষার্থী, তোমরা শ্রেণিকক্ষে নিচের যেকোনো একটি আনুষ্ঠানিক পরিস্থিতি এককভাবে বা দলীয়ভাবে উপস্থাপন করো। তারপর সহপাঠীদের মতামত নিয়ে যে শব্দগুলো প্রমিত হয়নি, সেগুলোর তালিকা তৈরি করো এবং তাদের প্রমিত রূপ লিখে রাখো।
পরিস্থিতিগুলো হচ্ছে:
ক. খেলার মাঠের ধারা বিবরণী;
খ. কোনো ঘোষণা দেওয়া;
গ. সংবাদ পাঠ;
ঘ. বিজ্ঞপ্তি প্রচার;
ঙ. নতুন পরিচয় হওয়া ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ;
চ. শ্রেণিকক্ষে পাঠদান;
ছ. বক্তৃতা;
জ. অনুষ্ঠান সঞ্চালনা।
জাহেদ হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক, বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা