সভার শুরুতে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (এআইবিএস) উচ্চশিক্ষার একটি সংঘ, যা পেশাগত উন্নয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশি পার্টনার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ফ্যাকাল্টি বিনিময়, ফেলোশিপ, গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রকাশনা, লেকচারশিপ, সেমিনার ও কনফারেন্স আয়োজনের ব্যবস্থা করে থাকে।

তারিক মাহমুদ পাশা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ক্ষেত্রে তিনি ফেলোশিপ প্রদান ও স্কলার আদান-প্রদানের জন্য এআইবিএসকে ধন্যবাদ জানান।

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশিদের জন্য গৃহীত বিভিন্ন পেশাগত উন্নয়ন ও স্কলারশিপের কর্মসূচি তুলে ধরেন।

সভায় উপস্থিত ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে একাডেমিক ও পেশাগত উন্নয়ন এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম ভবিষ্যতে কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে নানা দিকনির্দেশনা ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

সভায় এআইবিএসের কয়েকজন ফেলো উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা তাঁদের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা ও গবেষণা কার্যক্রম বর্ণনা করেন। এই ফেলোশিপের অর্থ প্রদানের জন্য অধ্যাপক আলী রীয়াজ বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।

এআইবিএসের সঙ্গে বাংলাদেশে বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ২৫টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রেও ইলিনয় স্টেট ইউনির্ভাসিটি, শিকাগো ইউনির্ভাসিটি, কলম্বিয়া ইউনির্ভাসিটি, জর্জ ম্যাশন ইউনির্ভাসিটি, কর্নেল ইউনির্ভাসিটি, জন হপকিন্স ইউনির্ভাসিটি, ক্যালিফোর্নিয়া ইউনির্ভাসিটিসহ মোট ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় সদস্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে এআইবিএসের সঙ্গে কাজ করছে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন