বাংলা

 অবাক জলপান

প্রিয় শিক্ষার্থী, ধারাবাহিক পাঠ আলোচনায় আজ রয়েছে বাংলা বিষয়ের ‘অবাক জলপান’ নাটিকা।

প্রশ্ন: জলের তেষ্টায় পথিকের মন ও শরীরের অবস্থা কী হয়েছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: জলের তেষ্টায় পথিকের মন ও শরীরের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছিল।

ভরদুপুরে দীর্ঘ পথ চলার পর পথিকের ভীষণ তৃষ্ণা পেল। পথিক তাই নানাজনের কাছে জল চাইতে লাগল। কিন্তু কেউ তার কথা বুঝতে চাইল না। পিপাসা আর ক্লান্তিতে তাই পথিকের অবস্থা নাজুক হলো।

প্রশ্ন: ‘জলাতঙ্ক’ কাকে বলে? এই রোগ কীভাবে হয়?

উত্তর: যে রোগ হলে রোগী প্রচণ্ড পিপাসা পেলেও জল পান করতে পারে না, জল পান করতে গেলে গলায় খিঁচ ধরে যায়। রোগী তাই ভয়ে জল পান করতে চায় না। জলকে ভয় পাওয়া এ ধরনের রোগকে ‘জলাতঙ্ক’ বলে। ডাক্তারি পরিভাষায় এই রোগকে বলা হয় হাইড্রোফোবিয়া। জলাতঙ্কের জীবাণুবাহী কুকুর থেকে এই রোগ ছড়ায়। জীবাণুবাহী কুকুর কামড় দিলে কিংবা আঁচড় দিলে এই রোগ হয়। কাজেই আমাদের সব সময় কুকুর থেকে সাবধান থাকা উচিত।

প্রশ্ন: ঠিক উত্তরটিতে টিকচিহ্ন () দিই।

ক. ‘অবাক জলপান’ কোন ধরনের রচনা?

১. নাটিকা ২. ছোটগল্প

৩. প্রবন্ধ ৪. উপন্যাস

খ. পথিক ঝুড়িওয়ালার কাছে কী চেয়েছিল?

১. কাঁচা আম ২. জল

৩. জলপাই ৪. পাকা আম

গ. কুকুরে কামড়ালে মামা কোন রোগের কথা বলেছিল?

১. ডিপথেরিয়া ২. আমাশয়

৩. জলাতঙ্ক ৪. টাইফয়েড

ঘ. পথিক কয়জনের কাছে খাওয়ার জল চেয়েছিল?

১. চারজন ২. তিনজন ৩. দুজন ৪. পাঁচজন

ঙ. বৃদ্ধ পথিককে কয় ধরনের জলের কথা বলতে চেয়েছিল?

১. ২৫ ২. ৩০ ৩. ১০ ৪. ২৭

চ. পথিক শেষ পর্যন্ত কার কাছ থেকে খাওয়ার জল পেয়েছিল?

১. বালক ২. মামা ৩. ঝুড়িওয়ালা ৪. বৃদ্ধ

ছ. নাটিকাটিতে বিজ্ঞানীর চরিত্রে কাকে দেখানো হয়েছে?

১. ঝুড়িওয়ালা ২. বৃদ্ধ ৩. বালক ৪. মামা

উত্তর: ক. ১. নাটিকা খ. ২. জল গ. ৩. জলাতঙ্ক ঘ. ২. তিনজন ঙ. ১. ২৫  চ. ২. মামা ছ. ৪. মামা

প্রশ্ন: বিরাম চিহ্ন বসিয়ে অনুচ্ছেদটি পুনরায় লেখো।

তাহলে বাপু তোমার গাঁয়ে বসে জল খেলেই পারতে পাঁচ ক্রোশ পথ হেঁটে জল খেতে আসবার দরকার কী ছিল যা হয় একটু হলেই হলো ও আবার কী রকম কথা আর অমন তাচ্ছিল্য করে বলবারই বা দরকার কী

উত্তর: তাহলে বাপু তোমার গাঁয়ে বসে জল খেলেই পারতে? পাঁচ ক্রোশ পথ হেঁটে জল খেতে আসবার দরকার কী ছিল? ‘যা হয় একটু হলেই হলো’ ও আবার কী রকম কথা? আর অমন তাচ্ছিল্য করে বলবারই বা দরকার কী?

সিনিয়র শিক্ষক

আন-নাফ গ্রিন মডেল স্কুল, ঢাকা