অধ্যায় ৩
প্রশ্ন: বাংলার নবাবের রাজপ্রাসাদ কোনটি এবং এটি কে তৈরি করেন?
উত্তর: আহসান মঞ্জিল বাংলার নবাবের রাজপ্রাসাদ। যেটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নির্মিত। মোঘল আমলে বরিশালের জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতুল্লাহ এ প্রাসাদটি তৈরি করেন।
প্রশ্ন: আহসান মঞ্জিলের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর: আহসান মঞ্জিলের দুটি বৈশিষ্ট্য:
১. এ প্রাসাদের উত্তর ও দক্ষিণে রয়েছে দুটি লম্বা বারান্দা
২. এ ছাড়া রয়েছে জলসা ঘর, দরবার হল, রংমহল।
প্রশ্ন: আহসান মঞ্জিল প্রাসাদটি কে বিক্রি করে দেন এবং আবার কে এটিকে ক্রয় করেন?
উত্তর: আঠারো শতকে জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহর পুত্র শেখ মতিউল্লাহ বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রাসাদটি ফরাসি বণিকদের কাছে বিক্রি করে দেন। ১৮৩০ সালে খাজা আলিমুল্লাহ ফরাসিদের কাছ থেকে তা ক্রয় করে আবার প্রাসাদে পরিণত করেন।
প্রশ্ন: আহসান মঞ্জিল প্রাসাদটি কবে এর ঐতিহ্য হারায় এবং কে এর তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নেয়?
উত্তর: জমিদার প্রথার বিলুপ্তি ঘটলে আহসান মঞ্জিল তার ঐতিহ্য হারায়। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রাসাদটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রাচীন ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হয়।
প্রশ্ন: ‘পুন্ড্রনগর’ কী এবং এটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: মৌর্য আমলে মহাস্থানগড় ঐতিহ্যটি ‘পুন্ড্রনগর’ নামে পরিচিত ছিল। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
প্রশ্ন: উয়ারী-বটেশ্বরে প্রাপ্ত দুটি নিদর্শন সম্পর্কে লিখো।
উত্তর: উয়ারী-বটেশ্বরে প্রাপ্ত নিদর্শন:
১. এখানে প্রাচীন রাস্তাঘাট পাওয়া গেছে।
২. এখানে প্রাপ্ত জিনিসের মধ্যে রয়েছে রৌপ্যমুদ্রা, হাতিয়ার ও পাথরের পঁুতি।
প্রশ্ন: ‘সোমপুর মহাবিহার’ কী এবং এটি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ‘সোমপুর মহাবিহার’ ২৪ মিটার উঁচু একটি গড়। এটি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত।
প্রশ্ন: পাহাড়পুরের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর: পাহাড়পুরের দুটি বৈশিষ্ট্য:
১. পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের চারপাশে ১৭৭টি ভিক্ষু কক্ষ আছে।
২. এ ছাড়া এখানে মন্দির, রান্নাঘর ও পাকা নর্দমা আছে।
অধ্যায় ৪
প্রশ্ন: বাংলাদেশের জনসংখ্যার শতকরা কত ভাগ মানুষ কৃষিকাজ করে এবং জাতীয় অর্থনীতির কত ভাগ আসে কৃষি থেকে?
উত্তর: বাংলাদেশের জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতির শতকরা প্রায় ২০ ভাগ আসে কৃষি থেকে।