কবিতায় রবীন্দ্র-নজরুল বন্দনা

জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা’র শুরুতে ছিল সমবেত পরিবেশনা ছবি প্রথম আলো
জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা’র শুরুতে ছিল সমবেত পরিবেশনা ছবি প্রথম আলো

‘বাংলা এবং বাঙালির সবক্ষেত্রেই বিশাল স্থান দখল করে আছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম। কবিগুরুর জাতীয় সংগীতে বাঙালি যেমন প্রাণের স্পন্দন খুঁজে পায়, ঠিক তেমনি নজরুলের রণ সঙ্গীতে খুঁজে পায় অন্যায়ের প্রতিবাদে দীপ্ত প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি ও প্রেরণা।’
বললেন আবৃত্তিশিল্পী মাহিদুল ইসলাম।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আবৃত্তিসন্ধ্যায় এ কথা বলেন তিনি।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা’র আয়োজন করে আবৃত্তি সংগঠন আবৃত্তি মেলা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই কবিগুরুর প্রার্থনা বিষয়ক কবিতা ‘অন্তর মম বিকশিত করো’ সমবেতভাবে পরিবেশন করেন আয়োজক সংগঠন আবৃত্তি মেলার শিল্পীরা।
এরপর রবিঠাকুর ও নজরুলের কবিতার একক আবৃত্তি নিয়ে মঞ্চে আসেন শিল্পীরা। পালাক্রমে তারা কবিগুরু ও জাতীয় কবির কবিতার শৈল্পিক ও ব্যঞ্জনাময় পরিবেশনার মাধ্যমে উপভোগ্য করে তোলেন রবীন্দ্র-নজরুল বন্দনার এই কবিতার আসর।
অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা পরিবেশন করেন শুভ্রা নিলাঞ্জনা, সাজেদা বানু হেলেন, নাযাহ রাইদা হাকিম, লাইলুন নাহার, সাঈদা নাঈম, মাসুদ নূর, শ্যামলী ইসলাম, শফিউল হান্নান, লাভলী ইয়াসমিন, তানজিনা লাবন্য, নজরুল ইসলাম।
নজরুলের কবিতা আবৃত্তি করেন নাঈম আহমেদ, তুনাজ্জিনা দেওয়ান, জুনাইদ আহমেদ, সোনিয়া আক্তার, রায়হান আহমেদ, সালেহ আহমেদ, আফরোজা আক্তার, তামান্না আক্তার,
আবৃত্তিশিল্পী মাহিদুল ইসলাম পরিবেশন করেন কবিগুরুর ‘পায়ে চলার পথ, আজি ঝড়ের রাতে’ ও ‘পরিচয়’। পরে তার কণ্ঠে কাজী নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটির পরিবেশনার মধ্য দিয়েই শেষ হয় ‘রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা’ শীর্ষক এই কবিতার আসর।