বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কথায় কথায় রেমন্ড জানালেন, ১৭৮৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ইংরেজরা প্রথম অস্ট্রেলিয়ায় আগমন করে। এরপর শুরু হয় আদিবাসীদের ওপর জাতিগত নিপীড়ন। অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা তাই দিনটি তাদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন নেমে আসার দিন হিসেবে গণ্য করে। সেই দিনটি রাষ্ট্রীয় দিবস হিসেবে উদ্‌যাপন তারা কখনোই মেনে নিতে পারেনি। জাতিসত্তার মধ্যে নাড়া দেওয়া এ বিতর্ক অস্ট্রেলিয়াকে আজও জাতিগত চেতনার দিক থেকে বিভাজিত করে রাখে।

default-image

৪ মিনিট ২২ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের এ তথ্যচিত্র আরেকটি ভিন্ন আঙ্গিকে গুরুত্ব বহন করে। কারণ, এর নির্মাতা ও শিল্পীরা বাংলাদেশের। হোয়াট ইজ অস্ট্রেলিয়া ডে তথ্যচিত্রের নির্মাতা ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী রেমন্ড সলোমন ২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়া দিবস পালনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জানালেন, এমন উদ্‌যাপন তাদের জাতিগত বিবেককে আহত করে।

default-image

তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার জাতিসত্তা নিয়ে সবচেয়ে মর্মান্তিক প্রশ্নটি খুব সহজেই করা যায়, তবে এর উত্তর দেওয়া সহজ নয়। ৪ মিনিট ২২ সেকেন্ডের তথ্যচিত্র অস্ট্রেলিয়ার রক্ত ক্ষরিত হৃদয়ের ক্ষতচিহ্ন সবার সামনে উন্মুক্ত করেছে। জাতি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার জন্মদিন ঠিক সেই দিনেই উদ্‌যাপিত হয়, যেদিন এই ভূমিতে আদিবাসীদের ওপর মর্মান্তিক নিপীড়ন ও হত্যার সূচনা হয়েছিল। দেশ ও জাতিগত উন্নয়নের স্বপ্ন আমরা কখনোই পরিপূর্ণভাবে অর্জন করতে পারব না, যত দিন আমরা ২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার জাতিসত্তা হরণের দিবসকে জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্‌যাপন করব।’

default-image

৪ মিনিট ২২ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের হোয়াট ইজ অস্ট্রেলিয়া ডে এ তথ্যচিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আট বছর বয়সী আদ্রিতা আকাশ। নেপথ্য সংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন শামা রেইন। চিত্রগ্রহণ ও সম্পাদনা করেছেন শিমুল শিকদার। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন