default-image

এই গ্রহে হৃদয়কাঁপানো বিনোদনের পুরোনো ইভেন্টের মধ্যে সার্কাস অন্যতম। পুরোনো মানে বহু বহুকাল পুরোনো। রাস্তাঘাটে চলত এসব চোখধাঁধানো কসরত। মানুষ গোল হয়ে দাঁড়িয়ে দেখত, পয়সা দিত। গুলিস্তান, সদরঘাটের বাঁদরনাচের মতো। কিন্তু ২৫০ বছর আগে লন্ডনের এক রিংমাস্টার বা ‘সার্কাস পরিচালক’ বিনোদন জগতে আনেন নতুন এক মাত্রা। নাচের যেমন কোরিওগ্রাফার, খেলার যেমন কোচ, সার্কাসের তেমনি রিংমাস্টার। এই রিংমাস্টারের নাম ফিলিপ অ্যাসলে। ছিলেন সাইকেল স্টান্টবাজ। কাত হয়ে সাইকেল চালানো, সিটে দাঁড়িয়ে চালানো, এক চাকার ওপর চালানো, ব্রেকের ওপর বসে চালানো—সবকিছুতেই চালু। তিনি সাইকেল ছাড়া অন্যান্য মজার কসরতকেও এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসেন। আধুনিক সার্কাসের জনক এই ফিলিপ অ্যাসলে।

default-image

সার্কাস দেখেনি বা নাম শোনেনি, এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। সার্কাস এক এলাহি বিষয়। মজার মজার ইভেন্টের ঝালমুড়ি। এই ঝালমুড়ি প্রথম খাই, যখন আমার বয়স পাঁচ। মনে আছে, খোলা মাঠে টেবিলে জিহ্বা বের করা এক সাদা কুকুরের কথা। লাসা গোত্রের (সাদা লোমশ ছোট্ট কুকুর) রিংমাস্টারের অর্ডারে গোল লোহার রিঙের মধ্য দিয়ে লাফ দেয়, বল নিয়ে ক্যারিকেচার করে। শিশু ছিলাম, তাই অতটুকুই মনে আছে। কিন্তু সার্কাস অতটুকু না। সার্কাস ব্যাপক। সার্কাসে থাকে ভয়ের আইটেম, চোখ বড় করা আইটেম, হাসির আইটেম, তালির আইটেম, বুক দুরুদুরু করা আইটেম। সার্কাসে আছে ম্যাজিশিয়ান, আছে সাইকেল, মোটরসাইকেল স্টান্টবাজি। আছে বহু বহু ওপরের দড়ি দিয়ে হেঁটে যাওয়া রূপসী। কখনো কখনো ডিগবাজি দিয়ে এক রশি থেকে আরেক রশিতে ঝুলে বুক কাঁপিয়ে দেয় স্বল্পবসনা রূপসীরা। আছে বাঘ-ভালুক-হাতি-কুকুর-সাপ। আছে মুখ ভ্যাংচানো বানর। আর আছে উদ্ভট মেকআপ নেওয়া কতক নির্বাক কমেডিয়ান। এদের বলা হয় ‘ক্লাউন’। এরা মুখে কোনো শব্দ না করে নানা হাসির পারফরম্যান্সে মাতিয়ে রাখে দর্শককে।

default-image

‘সার্কাস জনক’ ফিলিপ অ্যাসলে এই ক্লাউনদের আনেন ফিলার হিসেবে। সার্কাসের দুই ইভেন্টের গ্যাপে দর্শকদের মাতিয়ে রাখতে। কিন্তু এরা এত জনপ্রিয় হয়ে যায় যে, ফিলারই হয়ে ওঠে ইভেন্ট। অনেক দর্শক ক্লাউনদের পারফরম্যান্স দেখতেই আসেন। ক্লাউন হয়ে পড়ে বিশেষণও। এখন পর্যন্ত তা অব্যাহত আছে। আমাদের বাস্তব জীবনেই দেখা মেলে সাধারণ থেকে অসাধারণ সব ক্লাউনের!

default-image

ফিলিপ অ্যাসলে জানতেন সার্কাসে বড় জায়গা দরকার। আর জানতেন, সব শ্রেণিপেশার মানুষ সার্কাসপাগল। তাই সার্কাস দেখার আয়োজন করলেন বিশাল উঁচু করে বানানো ‘সার্কাস তাঁবু’ বা প্যান্ডেলের ভেতর। টিকিট কাটো, প্যান্ডেলে ঢোকো, সার্কাস দেখো। এটা ১৮০০ শতকের শেষের দিকে। পরের ১০০ বছর রিংমাস্টাররা এভাবেই সার্কাস দেখিয়েছেন। অন্তত ১৯৭০-১৯৮০–এর দশক পর্যন্ত সার্কাস এই আয়োজনেই চলে। তার প্রথম প্রমাণ পাই স্কুলে পড়ার সময়। ভ্যাকেশনে আম্মার সঙ্গে ভাইবোন মিলে হিটলার আমলের ফোক্সওয়াগনে চড়ে রওনা দিই ফরিদপুর। বড় মামার বাসায়। বেড়াতে। বড় মামার ছোট ছেলে সুমন। আসল নাম হাবিবুল বাশার। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছিল। কিন্তু ছোট্ট আমরা ফরিদপুরে খেলেছি গাছের ডাল কেটে উইকেট বানিয়ে বানানো কাঠের ব্যাটে। সুমন বল করে বাঁয়ে, আমি ব্যাট হাঁকাই ডানে। ফিল্ডস বয়রা হাততালি দিয়ে বলে ‘সার্কাস, সার্কাস!’

default-image

সিদ্ধান্ত হয় আমরা সার্কাস দেখতে যাব। সিদ্ধান্তটা বড় মামি-আম্মার। সার্কাস মানে শিল্পমেলা। সেখানেই সার্কাসের আয়োজন আছে। তখন শীতকাল। গত শতকের শেষের পুরোভাগই শীতকালে মফস্বল শহরগুলোয় মাসব্যাপী শিল্পমেলা হতো। সার্কাস ছিল মেলার আকর্ষণীয় অংশ। সার্কাস প্যান্ডেলে ঢোকার আগে আমার প্রচণ্ড উত্তেজনা। এর মধ্যেই বিটিভিতে বিদেশি সার্কাস দেখা হয়ে গেছে।

default-image

সুমনের খোঁচাখুঁচিতে প্রথমে গেলাম ‘মৃত্যুকূপ’-এ। মৃত্যুকূপ মানে বিশাল উঁচু এক চওড়া কুয়া। সিঁড়ি দিয়ে উঠে কূপ ঘিরে মাচার ওপর দাঁড়িয়ে দর্শক ভেতরে তাকিয়ে। এখানে হবে মোটরসাইকেলের ভয়াবহ খেলা। মোটরসাইকেল নিয়ে কুয়ার তলে ঢুকলেন এক স্টান্টম্যান। নাম মন্টু ওস্তাদ। সুপারম্যানের মতো ড্রেস পরা। ফিলিপ অ্যাসলে এই খেলাতেই এক্সপার্ট ছিলেন। তিনি ছিলেন সাইকেলে, মন্টু মোটরসাইকেলে। চালিয়ে দিল মন্টু মোটরবাইক। বাইক ভীষণ স্পিডে ঘুরতে ঘুরতে কূপের দেয়াল ধরে টিকটিকির মতো বৃত্তাকারে ঘুরতে লাগল। পুরো কাত হয়ে। ভয়াবহ সেই দৃশ্য। বাইকের প্রচণ্ড স্পিডে কূপসহ আমাদের দর্শক মাচা দুলতে লাগল। স্পিডের চোটে মোটরসাইকেল ওপরে উঠে আসে। নদীর মতো এই কূপেও বিপদসীমার রেখা আছে। বিপদসীমার ওপরে এলেই মন্টু স্পিড কমিয়ে নেমে যায়। স্পিড না কমালে স্পিডের চোটে মন্টু বাইকসহ কূপ থেকে বেরিয়ে ওপরে আকাশে উড়ে যাবে! জুলভার্নের মতো কল্পনায় ভাসলাম। মন্টু যদি বেরিয়েই যায়, কতটুকু ওপরে যাবে? চাঁদে চলে যেতে পারে কী? জুলভার্ন তো কামানের গোলাকে চাঁদে পাঠিয়েছিলেন। এবার মন্টুর দ্বিতীয় রাউন্ড। এক অপ্সরীকে বসাল বাইকের পেছনে। যেন লং ড্রাইভে যাবে প্রেমিক-প্রেমিকা। ছুটিয়ে দিল বাইক। আবারও প্রচণ্ড স্পিডে বাইক কাত হয়ে কূপের দেয়ালে ঘুরে চলেছে। এর চেয়েও যে ভয়ানক দৃশ্য অপেক্ষা করছিল, বুঝিনি। মন্টু আর গার্লফ্রেন্ড দুজনই দুহাত দুদিকে ছড়িয়ে দিল। ফ্রি হ্যান্ডে ঘুরছে বাইক। আমি মনে মনে দোয়া করছি যেন এভাবেই বিপদসীমা ছাড়িয়ে কূপ থেকে ওরা বেরিয়ে মেঘের ওপরে চলে যায়। ঠাকুরমার ঝুলির রাজকুমার-রাজকুমারীর মতো দুহাত ছড়িয়ে ভেসে বেড়াবে মেঘের রাজ্যে। কিন্তু না। বিপদসীমার কাছে আসতেই সুড়সুড় করে বান্ধবীকে নিয়ে নিচে নেমে গেল চালাক মন্টু। মেঘের রাজ্যে যাওয়ার আপাতত ইচ্ছে নেই ওর।

default-image

এবার গেলাম ‘ছুরি নিক্ষেপ’ সার্কাস দেখতে। চেয়ার পেতে লাইন দিয়ে বসা আমরা। সামনে বেশ দূরে একটা বড় কাঠের বোর্ড দাঁড় করানো। দেরি হচ্ছে। উপস্থিত হলো দুই ক্লাউন। মুখ সাদা পাউডারে ধবধবে। ঠোঁটে লাল রঙের আকণ্ঠ বিস্তৃত স্থায়ী হাসি। তাদের মজার কাজ কারবারে আমরা হেসে লুটোপুটি। কখন সময় পার হয়েছে বুঝিনি। হাসি না থামতেই বিদায় নেয় ক্লাউন জুটি। উদয় হলেন ‘ছুরি ওস্তাদ!’ সঙ্গে সস্তা মেকআপে এক লাবণ্যময়ী উর্বশী। আস্তে করে উর্বশী হেঁটে গিয়ে সেই খাঁড়া বোর্ডে পিঠ দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াল। হাত দুটো পেছনে। বেশ দূরে পিছিয়ে এসে ওস্তাদ দাঁড়ালেন সোজাসুজি। হালকা ভয়ের মিউজিক বেজে উঠল। এক সহকারী পাশে এসে দাঁড়াল কতগুলো ভয়ংকর দর্শন ছুরি নিয়ে। কালো কাপড়ে চোখ বেঁধে দিল ওস্তাদের। চোখ বাঁধা অবস্থায় ওস্তাদ দূর থেকে মেয়েটিকে ছুরি ছুড়বেন! মেয়েটি আস্তে চোখ বুজে। এ অন্যায়, এ হৃদয় বিদারক। এত সুন্দরী এক মেয়েকে ছুরি মারতে পারে কেউ? কোনো দুর্নীতিবাজ, ব্যাংক লুটেরা হলে খারাপ লাগত না, কিন্তু এত সুন্দর এক ইনোসেন্ট মেয়ে দেখে খারাপ লাগছে। কিছু ভাবার আগেই ঠক করে প্রথম ছুরিটা ছুড়লেন ওস্তাদ। মেয়ের মাথার ইঞ্চি দুয়েক ওপরে গেঁথে গেল। ‘উফফফ’ বলে আর্তনাদ করে উঠলাম আমরা। সঙ্গে সঙ্গে পরের ছুরি। ঠকাশ করে মেয়ের বাঁ কানের ইঞ্চি দেড়েক দূরে গেঁথে গেল। একের পর এক ছুরি গাঁথতে লাগল মেয়েটার পুরো শরীর ঘিরে। সহকারীর হাত থেকে চোখ বাঁধা ওস্তাদ ছুরি নিয়ে মারেন আর ঠাক-ঠাক-ঠাক গাঁথতে থাকে ছুরি মেয়েকে ঘিরে! যখন সব ছুরি শেষ, মেয়েটা চোখ খোলে। বেরিয়ে আসে ওকে ঘিরে তৈরি করা এক বিদ্ধ ছুরির গাঁথা মালা থেকে। হাঁফ ছেড়ে সবাই তালি! এ এক অবিশ্বাস্য দৃশ্য।

default-image

উঠে গেলাম দড়ির ওপর দিয়ে হাঁটার ইভেন্ট দেখতে। এটা আরও মজার। আরও ভয়ংকর। বিটিভির কল্যাণে আগেই দেখা। বিদেশিদের। এবার দেখব সামনাসামনি। দেশিদের। প্রায় ছয়তলা উঁচু দুই বাঁশের দুই মাথায় টানা রশি বাঁধা হয়েছে। এই রশির ওপরেই হবে খেলা। এক ওস্তাদ ডান দিকের বাঁশের মাথায়। নিচ থেকে রশিতে ঝুলিয়ে তুলে নিলেন এক স্কার্ট পরা কিউট কিশোরীকে। যেন ছিপ দিয়ে নদী থেকে ওঠালেন বোয়াল মাছ। কিশোরী দুহাতে একটা লম্বা বাঁশ ধরে বাতাসে উঠিয়ে ব্যালেন্স করে হাঁটা দিল রশির ওপর দিয়ে। রশির ওপারে যাবে। আমাদের সবার বুক ধুকপুক। পড়ে গেলে একেবারে থেঁতলা। মাঝে মাঝে পড়ে যেতে যেতে ব্যালেন্স করে ফেলে। সবাই ‘উ-উ-উ-উ’ করে উঠি। মেয়েটা মাঝপথে যেতেই উল্টো দিক থেকে এক সাইক্লিস্ট বুক কাঁপিয়ে দেয়। এক চাকার এক সাইকেলে রশির ওপর দিয়েই মেয়েটির দিকে আসতে লাগল প্যাডেল মেরে মেরে। ভয়াবহ! সাইকেলের চাকা চলছে রশির ওপর দিয়ে! আরও মজা যে অপেক্ষা করছিল, বুঝিনি। সাইক্লিস্ট মাঝ রশিতে এসে মেয়েটির হাত ধরল। মেয়ে ফেলে দিল বাঁশ। ধরল প্রেমিকের হাত। সাইক্লিস্ট মেয়েটিকে কাঁধে উঠিয়ে নিল। কাঁধে নিয়েই ব্যাক গিয়ারে, মানে পেছনে প্যাডেল মেরে মেরে চলে গেল রশির সেই শুরুর প্রান্তে! তা-লি আর তা-লি! রিলাক্স। আমি তিন-সাড়ে তিন দশক আগের এই দেশেরই একটি মফস্বল শহরের গ্রামের পারফরমারদের কথা বলছি!

default-image

সার্কাসে বহু বহু ধরনের ইভেন্ট থাকে। সব সার্কাসে যে সব ইভেন্ট থাকবে, তা না। যেমন আমাদের সেই সার্কাসে খাঁচার মধ্যে এক রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকলেও তার মালিক সেদিন আসেনি বলে বাঘের খেলা দেখা হয়নি। বাঘ দেখেই চলে এসেছিলাম। হাতির অনেক খেলা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। সার্কাস হচ্ছে এক বর্ণাঢ্য আয়োজন। এক ফ্যান্টাসির জগৎ। এ দেশ থেকে সার্কাস আস্তে আস্তে চলে যাওয়ার কারণ এর খরচ। সার্কাস দল পোষা আর হাতির দল পোষা এক। টিকিটে কি আর সেই খরচ আসে? অনেকের মনে প্রশ্ন, এখন তো অনেকের হাতেই শত কোটি টাকা। কেউ কেউ তো সার্কাসের পার্ক বানাতে পারেন। নতুন প্রজন্ম তাহলে দেখত আর নিতে পারত সার্কাসের মজা। সবার ঝোঁক ডিজিটাল পার্কের দিকে। কেন? অনেকে দুষ্টুমি করে বলেন, আগে রিংমাস্টারদের টাকা ছিল, তাই সার্কাস হতো। এখন বেশির ভাগ ক্লাউনের হাতে টাকা। তাই সার্কাস হয় না। আবার অনেক দুষ্টু লোক বলে, এখন রাস্তাঘাটেই সার্কাস দেখা যায়, তাই আলাদা করে কেউ আর এর আয়োজন করে না। ফুটপাত দিয়ে হাঁটছেন, দেখবেন পায়ের ওপর দিয়ে মোটরবাইক চলে গেছে, টেরই পাবেন না। চেয়ে চেয়ে দেখবেন সার্কাস। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে রাস্তায় বসে থাকবেন। দেখবেন রাস্তার দুই মানুষসমান উঁচু আইল্যান্ডের ওপর দিয়ে জাম্প মেরে মেরে সবাই রাস্তা পার হচ্ছে। সার্কাস। দেখবেন রিকশায় দুজন ছেলেমেয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি বসে। দুজনের কানেই ইয়ার ফোন। কেউ কারও সঙ্গে কথা বলছে না। অথচ দুজনই হাসছে আকাশের দিকে তাকিয়ে। যেন সার্কাসের নিঃশব্দ ক্লাউন। উপচে পড়া যাত্রীতে মোড়ানো ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে দেখবেন বসে আছে এক ওস্তাদ যাত্রী। পড়লেই রেললাইনে ছাপ্পা। কিন্তু পড়ে না। সার্কাস। সেদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোলট্রি ফার্মের এক পিকআপ ভ্যানে দেখি মুরগি বোঝাই। জায়গা না হওয়ায় হেলপার ভ্যানের পেছনে লাগানো স্পেয়ার চাকার ওপর বসে যাচ্ছে। চিত হয়ে পড়লেই পেছনের গাড়িতে ছাপ্পা। কিন্তু পড়ে না। মহা সার্কাস।

default-image

এমন বিনা পয়সার সার্কাস যে দেশের চারদিকে, সে দেশে কেউ সার্কাসের আলাদা আয়োজন করলে তাকে কি কেউ রিংমাস্টার ডাকবে? প্রশ্নই আসে না। ডাকবে ক্লাউন!

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0