বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছর থেকে চলচ্চিত্রের এই বাজারে নতুন একটি উদ্যোগ শুরু হয়েছে। তা হলো প্রতিযোগিতার জন্য ছবি নয়, বরং নির্মাণাধীন প্রকল্প জমা দেওয়া। যেসব প্রকল্প প্রতিযোগিতার জন্য জমা পড়ে, সেখান থেকে নির্বাচিত কিছু প্রকল্পের জন্য আংশিক অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া ছবির নির্মাতা ও পরিচালককে টিফকমে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণও জানানো হয়। প্রতিযোগিতার এই অংশ টোকিও গ্যাপ ফাইন্যান্সিং মার্কেট বা সংক্ষেপে টিজিএফএম নামে পরিচিত।
এ বছর ৩৪তম টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ৩০ অক্টোবর শুরু হয়ে ৮ নভেম্বর শেষ হবে। এই আয়োজনের সঙ্গে সংগতি রেখে টিজিএফএম অনুষ্ঠিত হবে ১ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

এবার টিজিএফএম প্রতিযোগিতার জন্য ৫৩টি দেশ থেকে মোট ৯৭টি প্রকল্প জমা পড়ে। ২০টি প্রকল্প অর্থায়নের জন্য বেছে নেওয়া হয়। পাশাপাশি এসব ছবির পরিচালক ও নির্মাতাকে উৎসব চলাকালে টোকিওতে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি চলছে। এই নির্মাতাদের সম্ভাব্য বাজার খুঁজে পেতে উৎসব চলাকালে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ করে দেওয়া হবে।
টিজিএফএমের জন্য প্রকল্প জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত আবেদনকারীদের পূরণ করে নিতে হয়। এসব শর্তের মধ্যে প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ৬০ শতাংশ ইতিমধ্যে নিশ্চিত হওয়া এবং নির্মাণাধীন ছবি কিংবা টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এশিয়ার ছোঁয়া থাকা অত্যাবশ্যক। এবারের বাছাই করা ২০টি প্রকল্পের মধ্যে ১৪টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি, ৩টি অ্যানিমেশন ছবি, ১টি টিভি সিরিজ ও ২টি টেলিভিশন অ্যানিমেশন সিরিজ।

default-image

১৪টি কাহিনিচিত্রের প্রকল্পের মধ্যে জায়গা করে নেওয়া বাংলাদেশের একমাত্র ছবি হচ্ছে নুহাশ হুমায়ূন পরিচালিত ‘মুভিং বাংলাদেশ’। ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে গুপী বাঘা প্রোডাকশনস। ফলে টোকিও চলচ্চিত্র উৎসব চলাকালে জাপান সফরের আমন্ত্রণ পাচ্ছেন নুহাশ হুমায়ূন ও ছবির প্রযোজক।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য এটা নতুন এক মাইলফলক। কারণ, ৪০ বছরের পুরোনো এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বনেদি এই চলচ্চিত্র উৎসবের কোনো বিভাগেই বাংলাদেশ এর আগে জায়গা করে নিতে পারেনি।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন