বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয় এক হলেও প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া ছবিগুলো দৃশ্যের বৈচিত্র্যের কারণে শিল্পানুরাগীদের আগ্রহ তৈরি করবে। এখানে যেমন আছে পালতোলা নৌকা, বুড়িগঙ্গা, সাঁওতাল পরিবার; তেমনি আছে আমাদের চেনা পুরান ঢাকা, ইস্টিমার, বান্দরবানের সাঙ্গু নদী। তুলির আঁচড়ে বান্দরবানের শরৎ ঋতু যেমন জীবন্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি অ্যাক্রিলিকে উঠে এসেছে কালবৈশাখীর ধ্বংসলীলা।

default-image

চোখের দেখার অভিজ্ঞতা থেকে ছবি আঁকেন সোহাগ পারভেজ। বলা যায়, ক্লাস স্টাডির ঢঙে এঁকেছেন, যেন তিনি প্রকৃতির মনোযোগী ছাত্র। এখানে তিনি রিয়েলিস্টিক। বিপুল সবুজ থেকে ছোট করে নিজের চিত্রভাষা খুঁজে নিয়েছেন।
চলতি প্রদর্শনী নিয়ে জানতে চাইলে শিল্পী সোহাগ পারভেজ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রকৃতি ও মানুষ নিয়ে কাজ করি। তাই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আনাচকানাচে ঘুরে ঘুরে প্রায় চার বছরের কাজ বাছাই করে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। আমি মনে করি, একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় সফলতা নিজের দেশের প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষকে ফুটিয়ে তোলা। সেই সূত্র ধরেই মাই কান্ট্রি।’

default-image

তরুণ এ শিল্পী ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, ফিলিপাইন, জাপান, দুবাই, চীন, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশে অন্তত ৭৫টি গ্রুপ প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন। একক প্রদর্শনী করেছেন আটটি।

default-image

দেশে ও দেশের বাইরে আর্ট ক্যাম্প করেছেন ৪৫টির বেশি। এ ছাড়া তিন হাজারের বেশি বইয়ের প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করেছেন।
মাই কান্ট্রি প্রদর্শনীটি চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ১৬ নম্বর সড়কের ২০ নম্বর বাড়িতে, নিরিবিলি গ্যালারি কায়াতে। প্রদর্শনী প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত দর্শকের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

default-image
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন