বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আলোর করুণ গল্প শুনে রূপা ভুলে যায় নিজের জীবনের যন্ত্রণা। একদিন রূপা চলে যায় আলোর কাছে। দুজনে মিলে মুক্তির স্বাদ খুঁজে পেতে চায়। কিন্তু রূপার সংকটগুলো সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত রূপা কি পারবে, আলোর প্রকৃত সহযাত্রী হয়ে থাকতে? মানবিকতার এমন টানাপোড়েন নিয়েই এই সিনেমা। আলোর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বন্দনা। বন্দনার সত্যিকারের কাহিনি নিয়েই সিনেমাটি বানানো হচ্ছে।

default-image

অন্য স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটির নাম ‘আজ দীপার সবকিছু ভালো লাগছে’। দুটো ছবিতেই সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মঞ্চ থেকে চলচ্চিত্রে অভিনয় নিয়ে জ্যোতি সিনহা বলেন, ‘আমার শুরু মঞ্চ থেকে, আমার মূল জায়গা মঞ্চই। তবে ভালো কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে বাধা নেই। চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী আর বিস্তৃত মাধ্যম, তাই সুযোগ পেলে থিয়েটারের পাশাপাশি চলচ্চিত্রে বা স্ক্রিনে কাজ করার ইচ্ছে ছিল। এই দুটি গল্পই ভিন্নধর্মী, তাই সুযোগটা হাতছাড়া করিনি। ভিন্ন মাধ্যমে কাজ করা চ্যালেঞ্জিং। ভবিষ্যতেও ভালো প্রস্তাব পেলে কাজ করব। আর থিয়েটার আমার প্রাণের জায়গা, সে তো আছেই।’

default-image

দুটি সিনেমারই গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনায় শুভাশিস সিনহা। চিত্রগ্রহণে আবিদ মল্লিক। ‘তাহারা’ নামের এক নতুন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে সিনেমা দুটি নির্মিত হচ্ছে। নির্মাতা জানিয়েছেন, পরিচালনায় একক নাম থাকলেও এই চলচ্চিত্র তাদের সম্মিলিত প্রয়াসে নির্মিত। এ ছাড়া ‘আলো আমার আলো’ ছবিটিকে ঠিক স্বল্পদৈর্ঘ্য বলতে নারাজ পরিচালক। তাঁর মতে, এটি মুক্তদৈর্ঘ্যের ছবি, তবে পূর্ণদৈর্ঘ্য নয়। শুভাশিস সিনহা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে ছবি দুটির শুটিং শেষ। শিগগিরই একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে চলচ্চিত্র দুটি প্রকাশিত হবে।

এই দুটি সিনেমা ছাড়াও জ্যোতি নতুন মঞ্চনাটকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অনলাইনে নাচ ও আবৃত্তি নিয়ে নিয়মিত কাজ করছেন। শিশুদের আবৃত্তি ও অভিনয় শেখাচ্ছেন।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন