
বাদ্যযন্ত্রের ইতিহাস বহুদিনের। তার আগে আদিমকাল থেকে প্রকৃতির বুকে অবিরাম ধ্বনি ও সুর বাজছে। কান পাতলেই শোনা যায় পত্রপল্লব, নদীর কলতান, পাখির গান। সভ্যতার শুরুর দিকে মানুষ প্রকৃতির বুকে ভেসে বেড়ানো ধ্বনি ও সুর আনত বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে। পরে ভাষা সৃষ্টির পর সেই সুর কণ্ঠে তুলে এনে সংগীতের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই ধ্বনি, সুর, গান কিংবা প্রকৃতির গান থামেনি কখনো। গতকাল বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমীতে যন্ত্রসংগীতে ঐকতানে সেই প্রকৃতির ভাষাকেই তুলে আনতে চেয়েছেন পাঁচ শিল্পী।
একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালায় একাডেমীর সংগীত ও নৃত্য বিভাগের ব্যবস্থাপনায় গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয় ‘যন্ত্রসংগীতে ঐকতান (অর্কেস্ট্রা)’ শীর্ষক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী। একাডেমীর মহাপরিচালক লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগীত ও নৃত্য বিভাগের পরিচালক সোহরাব উদ্দীন।
আলোচনা শেষে যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন সুনীল চন্দ্র দাস, মো. মনিরুজ্জামান, সানী জুবায়ের, সাইম রানা ও আলী এফ এম রেজোয়ান।