বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

‘ওয়াইফ অব আ স্পাই’ ছবির কাহিনির পটভূমিতে আছে ১৯৪০ সালের জাপান। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার ছত্রচ্ছায়ায় জাতীয়তাবাদী চেতনা জাপানে তখন তুঙ্গে। প্রশান্ত মহাসাগরের যুদ্ধ শুরু না হলেও রাজকীয় জাপানি সেনাবাহিনী চীনে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছে এবং মাঞ্চুরিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জাপানের পুতুল সাম্রাজ্য। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে জাপান যোগ দিয়েছে জার্মানি ও ইতালির সঙ্গে অক্ষশক্তিতে। ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গুপ্তচরদের জন্য পূর্ব এশিয়া তখন হয়ে উঠেছিল উর্বর এক বিচরণক্ষেত্র।

default-image

চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত জাপানি পরিচালক কিওশি কুরোসাওয়া ছবির পটভূমি হিসেবে সে রকম এক সময়কে বেছে নিয়েছেন; ছবির মূল চরিত্র যেখানে জাপানের কোবে শহরে ঘটনাক্রমে রাষ্টীয় এক গোপনীয়তার খোঁজ পেয়ে আরও বিস্তারিত উদ্‌ঘাটনে নিয়োজিত হন এবং ঝুঁকিপূর্ণ সে কাজে সদ্য বিবাহিত স্ত্রীর সহায়তা ও সমর্থন লাভ করেন। একদিকে টান টান উত্তেজনা ও অন্যদিকে সামাজিক দায়িত্ববোধের চমৎকার এক উপস্থাপনা হচ্ছে এই ছবি।

এবারের ২০২১ এশীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা ছবিসহ আরও দুটি পুরস্কার কুরোসাওয়ার এই ছবি জিতে নিয়েছে। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন মূল চরিত্রের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করা জাপানি অভিনেত্রী ইয়ুই আয়োই। এ ছাড়া পোশাক ডিজাইন বা কস্টিউম ডিজাইনারের সেরা পুরস্কার এই একই ছবির জন্য পেয়েছেন হারুকি কোকেৎসু।

এবারের ১৫টি বিভাগের মধ্যে ৩টি বিভাগের পুরস্কার জুটেছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও হংকংয়ের বাইরের ছবির। একটি হচ্ছে শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যের পুরস্কার, যেটা পেয়েছেন ভারতের চৈতন্য থামানে ‘ডিসিপল’ ছবির জন্য। সেরা সিনেমাটোগ্রাফির পুরস্কার পেয়েছেন ইরানি ছবি ‘দ্য ওয়েস্টল্যান্ড’–এর জন্য মাসুদ আমিনি তিরানি। এর বাইরে তাইওয়ানের কিম হিউন বিন পেয়েছেন সেরা পার্শ্ব–অভিনেতার পুরস্কার। ‘ওয়ান সেকেন্ড’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন চীনের বিখ্যাত পরিচালক ঝাং ইমু।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন