default-image

আব্দুর রশীদ আরও বলেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্রের পালে হাওয়া লাগা শুরু হয়েছিল আস্তে আস্তে। “পরাণ” সিনেমার পর এখন অবস্থা তুঙ্গে। “হাওয়া” নিয়ে আমরা আশাবাদী। আমরা এমন দর্শক পাব ভাবিনি। “পরাণ” সিনেমার ২৮টির মধ্যে ২৫টি শো ছিল হাউসফুল। এর আরও পাঁচ গুণ দর্শককে ফিরিয়ে দিতে হয়েছে। এখনো “হাওয়া”র টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় অনেক সম্মানিত ব্যক্তিরা টিকিটের জন্য ফোন করছেন। কিন্তু সব টিকিট বিক্রি থাকায় আমরা তাদের না বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমাদের কোনো উপায় নেই। আমরা নারায়ণগঞ্জের দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ। মনে হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের টিকিট অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যাবে।’

default-image

এদিকে বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্সে শুক্রবার মধুবনে মুক্তি পেয়েছে ‘হাওয়া’। জানা গেছে, মুক্তির এক দিন আগেই ফুরিয়ে গেছে ‘হাওয়া’ সিনেমার প্রথম দুই দিনের সব টিকিট। জানা গেছে, গত বুধবার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরুর পর কাউন্টারে ‘হাওয়া’র টিকিটের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন দর্শকেরা। মুহূর্তেই ফুরিয়ে যায় প্রথম দিনের তিনটি প্রদর্শনীর সব টিকিট। গতকাল বৃহস্পতিবারও অগ্রিম টিকিটের জন্য কাউন্টারে ঢল নামে দর্শকদের। শুক্র ও শনিবারের অগ্রিম টিকিট ছাড়া হয়েছিল। দুই দিনে ৩৪৫ আসনের সিনেপ্লেক্সের সব প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি হয়েছে। মধুবন সিনেপ্লেক্সের মালিক আর এম ইউনুস রুবেল প্রথম আলোকে বলেন, ১৯৭৪ সালে যাত্রা শুরু করা মধুবনে গত দুই যুগে কোনো শোতে সব টিকিট অগ্রিম বিক্রির রেকর্ড নেই। তবে ‘হাওয়া’ সব রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে। আগামীকাল বৈকালিক শোতে মধুবন সিনেপ্লেক্সের পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে ‘হাওয়া’।

default-image

২০১৯ সালে শুটিং শুরু হয়েছিল মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত ‘হওয়া’ সিনেমার। কক্সবাজারে ৪৫ দিন সিনেমাটির শুটিং হয়। পরে করোনার জন্য মুক্তি পিছিয়ে যায়। জলকেন্দ্রিক মিথ নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘হাওয়া’। গভীর সমুদ্রে একদল জেলে। মাছ ধরতে গিয়ে নানা রহস্যময় ঘটনার মুখোমুখি হয় তারা। সিনেমাটির প্রচারণায় ব্যবহৃত ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানটি ভাইরাল হয়। শুরু হয় সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা। সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, শরীফুল রাজ, নাজিফা তুষি, সুমন আনোয়ার, সোহেল মণ্ডল, নাসির উদ্দিন খানসহ অনেকে।

বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন