ফটোসুন্দরী থেকে নায়িকা, জেমসের সাবেক স্ত্রী...

ছবির ছোট্ট মেয়েটিকে দেখে কি চেনা যাচ্ছে? তিনি ছিলেন নব্বইয়ের দশকের আলোচিত নায়িকা। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর প্রেম ও বিয়ের গল্পও কম আলোচিত নয়। জনপ্রিয় এক ব্যান্ড তারকার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। সেই সংসার অবশ্য টেকেনি। দুজনেই পরে নতুন করে সংসারে মনোযোগী হন। এখন যাঁর যাঁর মতো করে কাটছে জীবন। অথচ একটা সময় তাঁদের ঘিরে ছিল দর্শকের তুমুল আগ্রহ। কে এই নায়িকা? শৈশবের ছবি থেকে শুরু করে জেনে নেওয়া যাক তাঁর গল্প।
১ / ১০
নব্বইয়ের দশকে ঢালিউডে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। তিন বোন ও এক ভাইয়ের পরিবার তাঁদের। ছবিতে পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে তিন বোনকে। তাঁদের মধ্যে ছোটবেলার এ মেয়েটিই পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্রে পরিচিতি পান অন্য এক নামে।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
২ / ১০
ছবিটি তোলা হয়েছিল তাঁর ছয়–সাত বছর বয়সে। তখন থেকেই ক্যামেরা দেখলেই পোজ দেওয়ার অভ্যাস ছিল। পরিবারের কাছেও তিনি পরিচিত ছিলেন পোজ দেওয়ার জন্য। ছোট্ট বয়সের সেই স্বভাবই যেন পরবর্তী জীবনের সঙ্গে মিলে যায়—একসময় ক্যামেরার সামনেই কেটেছে তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
৩ / ১০
তখন তিনি স্কুলের শিক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে থাকতেন ঢাকার মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডে, শিয়া মসজিদসংলগ্ন একটি বাসায়। তাঁর বাবা চাকরি করতেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে। বাবার ফ্লাইটের ক্যাপ মাথায় দিয়েই তোলা হয়েছিল ছবিটি। পরে সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি লিখেছিলেন, ‘কী স্লিম ছিলাম, আহা...’
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
৪ / ১০
ছোটবেলার শিক্ষাজীবনের একটি বড় সময় কেটেছে মোহাম্মদপুরের কিশলয় স্কুলে। কয়েক বছর সলিমুল্লাহ রোডেও ছিলেন। সেখানকার কাবাব খেতে বেরিয়ে পড়ার স্মৃতিও আছে তাঁর। ১৯৮৭ সালে পুরো পরিবার চলে যায় উত্তরায়। পরে উত্তরা হাইস্কুলে ভর্তি হন। সেখানে শেষ হয় তাঁর স্কুলজীবন।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
৫ / ১০
তখন থাকতেন মোহাম্মদপুরে, কাছেই ছিল সংসদ ভবন। কিশোরী বয়সে প্রায় প্রতিদিন সকালে বান্ধবী ও ভাইবোনদের সঙ্গে হাঁটতে যেতেন সেখানে। তখন সংসদ ভবনের চত্বরে ইচ্ছেমতো ঘোরার সুযোগ ছিল, এমনকি উঠে যেতেন খোলা বারান্দাতেও। ছবিটি তেমনই এক দিনের। সংসদ ভবনের বাগানে ফুটে থাকা ফুলও নাকি তাঁকে টানত। ফেরার পথে ফুল চুরি করার স্মৃতিও আছে তাঁর। ছবির একেবারে বাঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটিই পরে হয়ে উঠেছিলেন আলোচিত এক নায়িকা।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
৬ / ১০
নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু তাঁর। ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী’ প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হওয়ার পর খুলে যায় নতুন দরজা। এর আগে অবশ্য সুভাষ দত্তের ‘আগমন’ ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই পরিচিত হয়ে ওঠেন বিনোদন অঙ্গনে।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
৭ / ১০
১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় ‘অবুঝ দুটি মন’। ছবিটি তাঁকে দেশের আনাচকানাচে পরিচিত করে তোলে। চলচ্চিত্রে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘চাঁদনী’ নামে। ছবিটি সফল হওয়ার পরও আর সিনেমায় দেখা যায়নি তাঁকে। ৩৩ বছর আগে বড় পর্দা থেকে সরে গেলেও পরে নাটক, টেলিছবি ও বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছেন। সেখান থেকেও প্রায় ১৫ বছর ধরে দূরে আছেন তিনি।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
৮ / ১০
তিনি আর কেউ নন, কানিজ রাবেয়া রথী। চলচ্চিত্রে যাঁকে সবাই চিনতেন চাঁদনী নামে। ‘আনন্দ বিচিত্রা ফটোসুন্দরী’ নির্বাচিত হওয়ার পর জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা জেমসের সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ১৯৯১ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁদের বিয়ে হয়—‘অবুঝ দুটি মন’ মুক্তির প্রায় দুই বছর আগে। বিয়ের পর কিছুদিন ইস্কাটনে থাকার পর বড় ছেলে দানিশের জন্মের পর ১৯৯৫ সাল থেকে উত্তরায় বসবাস শুরু করেন তাঁরা।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
৯ / ১০
রথী ও জেমসের সংসারে দুই সন্তান—আবরার আলভী দানিশ ও জান্নাতুল ফেরদৌস। ছেলে বড়। পড়াশোনা শেষ করে এখন ভিডিও মেকিংয়ের কাজ করছেন। মেয়ে পড়ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। সময়ের সঙ্গে বদলেছে অনেক কিছু, বদলেছে তাঁদের পারিবারিক জীবনও।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে
১০ / ১০
ছবিতে পাশাপাশি রথী ও জেমস। উত্তরার বাসায় তোলা এই ছবি তুলেছিলেন রথীর ভাই ভিক্টর। কয়েক দিন আগে ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, তাঁর হাতে তোলা সেই ছবি এখন শুধুই স্মৃতি। একসময় যে দুই মানুষকে ঘিরে ছিল ভালোবাসা, আলোচনার গল্প—সময় পেরিয়ে আজ সেই গল্পের পাতায় রয়ে গেছে পুরোনো কিছু ছবি।
ছবি : নায়িকার ফেসবুক থেকে