বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সম্প্রতি কৌন বনেগা ক্রোড়পতি (কেবিসি) অনুষ্ঠানে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে সেই অপূর্ণতার ভাগ দিলেন অমিতাভ। কেবিসির প্রতিযোগী নম্রতা শাহর সঙ্গে আলাপচারিতার ফাঁকে অমিতাভ জানান, দুই সন্তান শ্বেতা ও অভিষেক যখন বড় হচ্ছিল, তখন তিনি ভীষণ ব্যস্ত। সারা দিন শুটিংয়ের ব্যস্ততা। ভোরে যখন বাড়ি থেকে বের হতেন, তখন তারা ঘুমিয়ে থাকত। আবার কাজ শেষে গভীর রাতে যখন ফিরতেন, ততক্ষণে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে শ্বেতা ও অভিষেক। তাদের এতটুকুও সময় দিতে পারেননি অমিতাভ। সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে মন কাঁদলেও বাস্তবে সেটা সম্ভব হতো না। অমিতাভ বলেন, ‘ব্যাপারটা আমাকে খুব কষ্ট দিত। বহুদিন পর্যন্ত আমার ভেতরে এই কষ্টটা জমাট বেঁধে ছিল। অবশ্য এখন সেটা কিছুটা কেটেছে।’

গল্প–আড্ডার ফাঁকে অমিতাভ জানান, কর্মজীবনের শুরুতে কলকাতার একটি অফিসে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু ঝোঁক ছিল অভিনয়ে। নিজের ইচ্ছার কথা পরিবারকে জানালে তাঁরাও দ্বিমত করেননি। তাই সবকিছু ছেড়েছুড়ে পাড়ি জমালেন মুম্বাইয়ে। শুরুর দিকে বলিউডে সেভাবে সুযোগ পাচ্ছিলেন না অমিতাভ। প্রযোজক-পরিচালকেরা যখন তাঁকে ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর বাবা কবি হরিবংশ রাই বচ্চন একটি উপদেশ দিয়েছিলেন ছেলেকে। অমিতাভ সেই উপদেশ স্মরণ করে বলেন, ‘বাবুজি বলতেন, যখন তুমি কোথাও ঢুকতে চাচ্ছো, অথচ দেখছ সব কটা দরজা বন্ধ, তখন দেয়াল ভেঙে ঢুকে পড়বে!’

default-image

প্রকৃত অর্থে অমিতাভ বচ্চন দেয়াল ভেঙে বলিউডে ঢুকে পড়েছিলেন। তারপর মেধা, শ্রম আর অধ্যবসায়ের ফসল হিসেবে নামের পাশে যোগ করেছেন বলিউডের শাহেনশাহর তকমা। ৭৮ বছর বয়সে আজও অভিনয় করে যাচ্ছেন নিয়মিত। আগামী বছর মুক্তি প্রতীক্ষিত ‘পন্নিইন সেলভান’ ও ‘মেডে’ ছবি দুটিতে দেখা যাবে তাঁকে।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন