বলিউডের একাধিক ছবিতে দেখা গেছে কমল হাসান ও সারিকার কন্যা শ্রুতি হাসানকে
বলিউডের একাধিক ছবিতে দেখা গেছে কমল হাসান ও সারিকার কন্যা শ্রুতি হাসানকেইনস্টাগ্রাম

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুরহস্য মোড় নিয়ে এখন এসে দাঁড়িয়েছে হ্যাশট্যাগ ‘মিটু’ আর মাদককাণ্ডে। বলিউডকে বলিউড তারকা কঙ্গনা রনৌত বলেছেন ‘নর্দমা’। এটা শুনে জয়া বচ্চন সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘এরা যে থালায় খায়, সেই থালা ফুটো করে।’ এটা নিয়ে শুরু হয়েছে পক্ষে–বিপক্ষে তুমুল তর্ক। এর মধ্যেই নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে এসেছে যৌন হয়রানির অভিযোগ। দীপিকা পাড়ুকোন, সারা আলী খান, শ্রদ্ধা কাপুর ও রাকুল প্রীত জবানবন্দী দিয়েছেন ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোতে।

default-image

এগুলো নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস কথা বলেছে দক্ষিণ ভারতীয় তারকা শ্রুতি হাসানের সঙ্গে। বলিউডের একাধিক ছবিতে দেখা গেছে কমল হাসান ও সারিকার কন্যা শ্রুতি হাসানকে। ‘রামাইয়া ভাস্তাভাইয়া’, ‘লাক’, ‘ডি ডে’, ‘গাব্বার ইজ ব্যাক’, ‘রকি হ্যান্ডসাম’ সিনেমাগুলো করেছেন বলিউডে।

default-image
বিজ্ঞাপন
‘অসংখ্য পরিচালকের “ব্যাড বুকে” আমার নাম লেখা হয়েছে। দিনের পর দিন ছবি পাইনি। তবে এগুলো নিয়ে আমার কোনো আক্ষেপ নেই। আমি নিজেকে বলেছি, এগুলো নিজের ইচ্ছায় বাঁচার দাম। আপনি চাইলে আপস করে চলতে পারেন। কিন্তু পরে নাকি কান্না করে প্যান প্যান করবেন না।’
কঙ্গনাকে কটাক্ষ করে শ্রুতি হাসান

বলিউডকে ‘নর্দমা’ বলায় অনেকের মতো ভালো লাগেনি শ্রুতি হাসানেরও। তিনি বলেন, ‘ভালো–খারাপ মিলেই একটা ইন্ডাস্ট্রি। বুঝলাম, বলিউড খারাপ। যে কারণে বলিউডকে খারাপ বলা হচ্ছে, সেটা কোন ইন্ডাস্ট্রিতে নেই? কোন ইন্ডাস্ট্রি ভালো? নাকি সব ইন্ডাস্ট্রি নর্দমা? আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমি কখনো আপস করে চলিনি। সে যত বড় পরিচালক বা যত বড় বাজেটের কাজই হোক না কেন। আর সেজন্য আমাকে মূল্যও দিতে হয়েছে। অসংখ্য পরিচালকের “ব্যাড বুকে” আমার নাম লেখা হয়েছে। দিনের পর দিন ছবি পাইনি। তবে এগুলো নিয়ে আমার কোনো আক্ষেপ নেই। আমি নিজেকে বলেছি, এগুলো নিজের ইচ্ছায় বাঁচার দাম। আপনি চাইলে আপস করে চলতে পারেন। কিন্তু পরে নাকি কান্না করে প্যান প্যান করবেন না।’

default-image

শ্রুতি হাসান আরও বলেন, ‘কেউ যদি একজন নারী ডাক্তার, পুলিশ, করপোরেট হেড বা শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের সবারই নিজেদের কর্মক্ষেত্র নিয়ে অনেক কিছু বলার আছে। তাঁর কিছুটা ইতিবাচক, কিছুটা বঞ্চনার। আমাদের সবারই উচিত বঞ্চনার বিরুদ্ধে নিজের আর নিজেদের মতো করে যুদ্ধ করা। সেটাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে নিজের স্বার্থসিদ্ধি করা উচিত নয়।

default-image
মন্তব্য পড়ুন 0