বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পাগারে আরও জানান, মাদক মামলায় দেওয়া ব্যবসায়ী স্যাম ডিসুজার বিবৃতিতে প্রথম সুনীল পাতিলের নাম আসে। মোবাইলে এসডব্লিউ নামে পাতিলের নাম সেভ করেছিলেন মামলার আরেক সাক্ষী কে পি গোসাভি। এসডব্লিউ মানে হলো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো (এনসিবি) আঞ্চলিক প্রধান সমীর বানখেড়ে। এভাবে নাম সেভের কারণ হলো এটা বোঝানো যে এনসিবিতে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ আছে। এই সুনীল পাতিলের কাছেই কিছূ টাকা পেতেন পাগারে। সেটা আদায় করার জন্য কয়েক মাস ধরে তিনি পাতিলের সঙ্গে ছিলেন। ২৭ সেপ্টেম্বর পাতিল মুম্বাইয়ের ভাসির স্টার হোটেলে ছিলেন। একই হোটেলের পাশের রুমটি গোসাভির নামে বরাদ্দ ছিল।
পাগারের দাবি, প্রমোদতরিতে অভিযানের ঠিক কয়েক দিন আগে এই হোটেলেই গোসাভি ও পাতিলের সঙ্গে দেখা করেন মামলার আরেক সাক্ষী বিজেপি কর্মী মনীষ ভানুশালি। ভানুশালি পাতিলকে চুমু খেয়ে বলেছিলেন,‘একটা বড় কাজ হয়ে গেল, আমাদের আহমেদাবাদ যেতে হবে কিন্তু পাগারেকে সঙ্গে নেব না।’ পাগারে সে সময় ওই হোটেল রুমেই ছিলেন। পাগারে জানান, আসলে কী হচ্ছে, সে বিষয়ে তখন তাঁর কোনো ধারণাই ছিল না।’

default-image

প্রমোদতরিতে অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পর ৩ অক্টোবর ভানুশালি হোটেলের রুমে ফিরে আসেন। পাওনা টাকা নিতে পাগারেকে তাঁর সঙ্গে আসতে বলেন। দুজন এনসিবি অফিসের উদ্দেশে বেরিয়ে যান। পথে ফোনে একজনের সঙ্গে কথা বলেন ভানুশালি। তখন তিনি পূজা, স্যাম ও ময়ূর নামগুলো উল্লেখ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গোসাভির ফোন বন্ধ এবং তিনি সন্দেহ করছেন টাকা পাওয়ার পর গোসাভি পালিয়েছেন।

default-image

এনসিবি অফিসে পৌঁছে পাগারে সেখানে কিছু সাংবাদিককে দেখতে পান। তাঁকে জানানো হয়, আরিয়ান খানকে এনসিবি আটক করেছে। পরে পাগারে প্রমোদতরিতে অভিযানের একটি নিউজের ভিডিও ক্লিপ দেখেন। সেখানে দেখতে পান, ভানুশালি ও গোসাভি অভিযুক্তকে পাহারা দিচ্ছেন। এই সূত্র ধরেই পাগারে বুঝতে পারেন পুরো বিষয়টিই ছিল পূর্বপরিকল্পিত।
পাগারের মতে, তিনি আরিয়ানের আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাঁকে স্বাগত জানানো হয়নি।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন