তিনি আরও বলেছেন, ‘বক্স অফিসের সাফল্যের চেয়ে এ ধরনের দুর্দান্ত চিত্রনাট্য ও ছবির অংশ হতে পারাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এই ছবির জন্য যে ভালোবাসা পাচ্ছি, তাতে আমি আপ্লুত। সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। ক্যারিয়ার নিয়ে আমি কখনোই তাড়াহুড়ো করিনি। কারণ, আমি সেই ধরনের ছবি বাছাই করতে চেয়েছি, যেখানে আমার সেরাটা উজাড় করে দিতে পারি।’

এই চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছে বাণীর। তাঁর মতে, ‘চণ্ডীগড় করে আশিকি’ ছবি এই প্রজন্মের জন্য একদম জুতসই। লিঙ্গসমতার মতো বিষয়কে পর্দায় তুলে ধরতে পেরেছেন বলে তিনি গর্বিতও।

বাণী বলেন, ‘শিল্পী হিসেবে আমি খুঁতখুঁতে। আমি সব সময় সঠিক ছবি আর চরিত্রের অপেক্ষায় থাকি।

আর ‘চণ্ডীগড় করে আশিকি’ এমনই একটি ছবি। শুরুতে আমি ভেবেছিলাম, খুব বেশি মানুষের সমর্থন পাব না। কিন্তু আমি খুবই অবাক যে দর্শক ছবিটাকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গ্রহণ করছেন। পর্দায় মানবী হয়ে উঠতে আমি অনেক গবেষণা করেছি। এই ছবির মাধ্যমে যদি মানুষের চিন্তাধারায় পরিবর্তন আনতে পারি, তাতেই আমি সফল।’
অভিষেক কাপুর পরিচালিত ‘চণ্ডীগড় করে আশিকি’ ছবিতে বাণী কাপুরের বিপরীতে আছেন আয়ুষ্মান খুরানা।