default-image

বলিউড তারকা ঋষি কাপুরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গত বছরের এ দিনে তিনি চলে যান কাপুর পরিবারকে শোকে ডুবিয়ে। আর আজ মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালে শুয়ে আছেন প্রয়াত ঋষি কাপুরের বড় ভাই রণধীর কাপুর। তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তাঁদের আরেক ভাই রাজীব কাপুর। এরপর করোনায় আক্রান্ত হন নীতু কাপুর। যদিও তিনি সেরে উঠেছেন। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন রণধীর কাপুর। মুম্বাইয়ের আন্ধেরির কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। হাসপাতালের অন্যতম কর্ণধার সন্তোষ শেঠি খবরটি নিশ্চিত করেছেন। গত বুধবার রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় রণধীরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে করোনা পরীক্ষায় তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

বিজ্ঞাপন
default-image

জানা গেছে, রণধীর একাই নন, তাঁর বাড়ির পাঁচ কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত। তাঁরাও বাড়ির কর্তার সঙ্গে একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জনৈক সাংবাদিকের সঙ্গে চ্যাটে রণধীর লিখেছেন, ‘বুঝতেই পারলাম না যে কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলাম। আমি অবাক! এমনকি আমার পাঁচ কর্মীও আক্রান্ত। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।’

default-image

রণধীর জানান, করোনার টিকার দুটি ডোজই গ্রহণ করেছেন তিনি। তারপরও তিনি আক্রান্ত হলেন। হালকা কাঁপুনি ছাড়া তেমন কোনো লক্ষণ ছিল না তাঁর। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিক। করোনা পজিটিভ হওয়ার পর তেমন কোনো অসুবিধা বোধ করছেন না তিনি। এমনকি আইসিইউ প্রয়োজন হয়নি। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমার হালকা জ্বর। এখন সেটাও নেই।’ এ খবর জানিয়েছে পিংকভিলা। হিন্দুস্তান টাইমসের দাবি, রণধীর কাপুরকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
default-image

রণধীর কাপুর বলিউডের নামকরা প্রযোজক, পরিচালক ও অভিনেতা। ১৯৭০-এর দশক থেকেই অভিনেতা হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠিত। যদিও ১৯৮০-এর দশকে এসে তাঁর জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করে। তারপর থেকে তিনি অভিনয় কমিয়ে দেন। এ সময়ের মধ্যে ৪০টির বেশি ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তিনি অভিনয় করেন ‘রিকশাওয়ালা’ (১৯৭৩), ‘হামরাহি’ (১৯৭৪), ‘হাত কি সাফাই’ (১৯৭৪), ‘দিল দিউয়ানা’ (১৯৭৪) ছবিগুলোতে। তাঁর দুই মেয়ে অভিনেতা কারিনা কাপুর ও কারিশমা কাপুর।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন