পারিবারিকভাবেই বিনোদনজগতের মানুষ জাহ্নবী কাপুর। মা শ্রীদেবী ডাকসাইটে অভিনেত্রী, বাবা বনি কাপুর বড় প্রযোজক। ভাই অর্জুন কাপুর, চাচা অনিল কাপুর ও সঞ্জয় কাপুর এবং কাজিন সোনম কাপুরও অভিনেতা। ছোট বোন খুশি কাপুরকেও অভিনয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে। তাঁদের কেউ না কেউ কোনো না কোনো ইস্যুতে প্রায় প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও না কারও দ্বারা ট্রল হচ্ছেন। ফলে বলা চলে, বিষয়টায় তাঁরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন।

জাহ্নবী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সমালোচনাকে তিনি যথেষ্টই গুরুত্ব দেন। তবে এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই রকম প্রভাবই আছে। তিনি বলেন, ‘একটা দিক থেকে আমি এই ব্যাপারগুলোকে বেশ গুরুত্ব দিই। এসব দেখে বুঝে নিই মানুষ আসলে কী চায়, কোথায় আমার ঘাটতি আর কিসে আরও পারদর্শী হতে হবে। আমি মনে করি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এসব বুঝে নেওয়ার জুতসই প্ল্যাটফর্ম। আবার এখানে যাঁরা মত দেন, তাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠ নন। যদিও আমি এসবে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। পারিবারিকভাবেও আমরা এসবে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এসব থেকে আমাদের যতটুকু পারা যায়, গ্রহণ করা উচিত।’

হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিটে অনিল কাপুর বলেন, ‘আমরাও ট্রলিংয়ের শিকার হয়েছি, তবে সেটা জাহ্নবী, সোনম, রিয়া কাপুর, হর্ষবর্ধন কাপুর বা অর্জুন কাপুরের মতো না। আমি নিশ্চিত, এরা আমাদের চেয়ে নির্মম ট্রলিংয়ের শিকার। তবে এই তরুণেরা দ্রুত শিখছে কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়াকে বশে আনতে হয়।’