জানা গেছে, নিরাপত্তার কারণে সালমান এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। বেশ কিছু দিন আগে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এই বলিউড সুপারস্টারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন। আর তার পর থেকে ভাইজানের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে কোনো অনুষ্ঠানে বা জনসমাগমে হাজির থাকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

default-image

সালমানের বিশেষ নিরাপত্তার কারণে তাঁর আবাসনের বাইরে স্পেশাল ফোর্সের ১০ সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে। এমনকি তাঁরা ছবির সেটেও ভাইজানের সঙ্গে থাকেন। এখানেই শেষ নয়; সালমানের গ্যালাক্সি আবাসনের আশেপাশে বাড়তি ১৫টি নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে।

default-image

গত ২৯ মে পাঞ্জাবি গায়ক সিদ্ধু মুসেওয়ালাকে পাঞ্জাবে তাঁর মানসা গ্রামে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। এই হত্যার ঘটনার পরপরই সালমান খানের বাবা সেলিম খান এক উড়ো চিঠি পেয়েছিলেন। এই চিঠিতে সালমান এবং সেলিম খানকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সিদ্ধু মুসেওয়ালার হত্যার মূল অভিযুক্ত হিসেবে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম সবার ওপরে আছে। লরেন্স বিষ্ণোই এর আগে সালমানকে একবার হুমকি দিয়েছিলেন। কৃষ্ণকায় হরিণ হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছিল সালমানের বিরুদ্ধে। সে কারণে লরেন্স বিষ্ণোই ভাইজানকে হুমকি দিয়েছিলেন।

default-image

এদিকে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ‘মান্নাত’-এর বাইরে গতকাল রোববার সেই চেনা দৃশ্য দেখা গেছে। ঈদ উপলক্ষে কিং খান মান্নাতের বারান্দায় এসে ভক্তদের উদ্দেশ্যে একরাশ ভালোবাসা উড়িয়ে দিয়েছিলেন। আর এই সময়ে তাঁর সঙ্গী ছিল ছোট খান আব্রাহাম। এদিন মান্নাতের বাইরে ছিলেন শাহরুখের হাজার হাজার অনুরাগী। ভিড় সামলাতে পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছিল।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন