বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তীর্থানন্দ ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানান, একই ভবনে থাকলেও বছর ধরে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন না তাঁর পরিবারের লোকজন। এমনকি অনেক জায়গা থেকে পারিশ্রমিকও পাননি তিনি। এদিকে করোনার প্রভাবে কাজও পাচ্ছিলেন না। কিন্তু খরচ বাড়ছিল। কোনোভাবেই ঋণ শোধ করতে পারছিলেন না তিনি।

default-image

তীর্থানন্দ বলেন, ‘আমি বিষ খেয়েছিলাম। আমার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। আর্থিক অবস্থা ছিল শোচনীয়। আমার পরিবার আমাকে ছেড়ে চলে যায়। যখন আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, আমার মা ও ভাই কেউ আমাকে দেখতে আসেননি। যদিও আমরা একই ভবনে থাকি। আমার পরিবারের কোনো সদস্য আমার সঙ্গে কথা বলেন না। আমার চিকিৎসায় তাঁরা এক টাকাও খরচ করেননি। হাসপাতাল থেকে আসার পর আমি একাই আছি। এর থেকে আর কত খারাপ অবস্থা হতে পারে একজন মানুষের জন্য?’

তীর্থানন্দ আরও জানান, সম্প্রতি তিনি একটি ছবিতে পুলিশ ইন্সপেক্টরের ভূমিকায় অভিনয় করেন। ছবিটি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু তাঁকে এখনো পারিশ্রমিক দেওয়া হয়নি। এমনকি তিনি যেসব ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন, সেগুলোরও কোনো পারিশ্রমিক পাননি।

কপিল শর্মার সঙ্গে কাজের সুযোগ হয়েছিল তীর্থানন্দর। সুনীল গ্রোভারের সঙ্গে সম্পর্ক চলে যাওয়ার পর তীর্থানন্দকে নিজের অনুষ্ঠানে কাজের প্রস্তাব দিয়েছিলেন কপিল। কিন্তু তখন একটি গুজরাটি ছবি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে হয়েছিল। তীর্থানন্দ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে কপিলের কাছে কাজ চাইতে পারেন বলে জানা গেছে।

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন