১১ মাস ১১ দিনের ক্লান্তিকর ক্যানসার চিকিৎসার পর ভারতে নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন ঋষি কাপুর। ফেরার পর এত কম সময় তিনি বাঁচবেন, কে জানত! গত বছর ঠিক এই দিনে অনন্তের পথে পাড়ি জমান ঋষি। আজ তাঁর চলে যাওয়ার এক বছর হলো।

default-image

ঋষি কাপুরের ছেলে বলিউডের তরুণ অভিনেতা রণবীর কাপুর। তারকা হওয়ার পর প্রথম সুযোগেই বাড়ি ছেড়ে নিজের কেনা বাড়িতে ওঠেন তিনি। বাবার সঙ্গে সব সময়ই খানিকটা দূরত্ব থাকত। ঋষি এই দূরত্ব ঘোচানোর চেষ্টা করতেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তিনি নাকি নিজের ছেলের খবর নেওয়ার জন্য ঢুঁ মারতেন ইনস্টাগ্রাম, টুইটার আর ফেসবুকে। সেখানে তাঁর ছেলেকে নিয়ে কী আলাপ হচ্ছে, তা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়তেন। বাবার মৃত্যুর পর ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আক্ষেপ ঝরে পড়েছিল রণবীরের কথায়। তিনি বলেছিলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মায়ের কাছাকাছি থেকেছি সবচেয়ে বেশি। বাবা আর আমার সম্পর্ক পুরোপুরি খোলামেলা, বন্ধুত্বপূর্ণ বলা চলে না। সব সময়ই একটা অদৃশ্য দেয়াল ছিল। এখন বাবা চলে যাওয়ার পর মনে হয়, ইশ্‌, আমরা যদি একসঙ্গে আরেকটু গল্প করতাম, সময় কাটাতাম, আড্ডা দিতাম। বাবার সঙ্গে যদি আরও কিছু মধুর স্মৃতি তৈরি হতো! বাবাকে মনে পড়লে মনে হয়, আমাদের দুজনের স্মৃতি বড্ড কম।’

default-image
বিজ্ঞাপন

জুহি চাওলা বলিউডের এই নামকরা অভিনেতা ঋষি কাপুর সম্পর্কে বলেছিলেন, ‘মানুষটা একেবারে নারকেলের মতো। ওপর থেকে শক্ত, ভেতরটা নরম। এই ইন্ডাস্ট্রির বেশির ভাগ মানুষই তাঁকে ভুল বুঝেছে।’

default-image

ঋষি কাপুরের মৃত্যুর পর পুত্রবধূ না হয়েও পুত্রবধূর মতোই সব দায়িত্ব পালন করেছিলেন রণবীরের প্রেমিকা আলিয়া ভাট। এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি ঋষি কাপুরকে ‘বাবা’ বলেও সম্বোধন করেন। আলিয়া লিখেছিলেন, ‘সবাই তাঁকে চেনে একজন সুপারস্টার হিসেবে। আর গত দুই বছর আমি তাঁকে চিনি একজন বাবা হিসেবে। আমার মতোই চায়নিজ খাবারপ্রিয় একজন মানুষ হিসেবে। একজন যোদ্ধা, নেতা আর সিনেমাপাগল হিসেবে। তাঁকে চিনি আমার মাথার ওপরে এক বটবৃক্ষ হিসেবে, সর্বোপরি সবার ওপরে একজন বাবা হিসেবে। আমি যত দিন বেঁচে থাকব, তাঁকে মিস করব।’

default-image
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন