বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গেমের বিষয়বস্তুও সালমানকে বিরক্ত করেছে। কারণ, গেমের বিষয় লক্ষ করলেই বোঝা যায়, সালমানের ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলার আদলে এটি তৈরি। সালমান মনে করছেন, এই গেম তরুণ প্রজন্মের মনে তাঁর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দিতে পারে। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

default-image

আদালতে সালমান খান জানিয়েছেন, গত আগস্ট মাসের শেষে ‘সেলমান ভয়’ নামের এই গেমের কথা জানতে পারেন তিনি। এমনকি ওই গেম তৈরি প্রতিষ্ঠানও তাঁর থেকে কোনো ধরনের অনুমতি নেয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলায় সালমান খানকে খালাস দেন মুম্বাই হাইকোর্ট। ওই মামলায় নিম্ন আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের যে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন, তা ওই বছরের ডিসেম্বরে ভারতের মুম্বাইয়ের হাইকোর্ট বাতিল করে তাঁকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন। রায় শুনে সেদিন আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়েন সালমান খান। দীর্ঘ ১৩ বছর তাঁকে এই মামলা লড়তে হয়।

default-image

এদিকে বলিউড ভাইজান সালমান খানের মামলা দায়েরের পর মুম্বাই সিভিল কোর্টের বিচারক এই অনলাইন গেম ব্লক করা নির্দেশ দিয়েছেন। পাল্টা ‘সেলমান ভয়’ গেম নির্মাতাদের পক্ষে আদালতে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, যার শুনানি হবে ২০ সেপ্টেম্বর।
২০০২ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর সালমানের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে যায়। তাঁর গাড়িতে পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় সেখানে শুয়ে থাকা এক ব্যক্তির। আহত হন আরও চারজন। কিন্তু আদালতে প্রমাণ করা হয়, দুর্ঘটনার সময় সালমান চালকের আসনে ছিলেন না।

শেষে ২০১৫ সালে সালমানকে নির্দোষ ঘোষণা করেন মুম্বাই হাইকোর্ট। এর আগে ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেন সালমান খান।

default-image

এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে ২০১৮ সালের এপ্রিলে সালমান খানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ভারতের রাজস্থান রাজ্যের যোধপুরের একটি আদালত। পাশাপাশি তাঁকে ১০ হাজার রুপি জরিমানাও করা হয়। এ ছাড়া একই মামলায় বেআইনিভাবে জঙ্গলে ঢোকার অভিযোগে সালমান খানের বিরুদ্ধে এখনো ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৯ নম্বর ধারায় মামলা চলছে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন