বিজ্ঞাপন

আর আমার অভিনয়ের রহস্য ফাঁস করতে বলেছে। সিরিজটির সফলতার মূলমন্ত্রও বাতলে দিতে বলেছে। সত্যি বলতে, এই সফলতার রেসিপি আমার ঠিক করে জানা নেই। কারণ, একবার রেসিপি জানা গেলে তো আর ছবি আর ফ্লপ হবে না। আসলে সিনেমা বা সিরিজ হিট হয় আপনাদের ভালোবাসায়। তা ছাড়া আমার মনে হয় ‘মির্জাপুর’-এর গল্প, এর প্রতিটি চরিত্রের সঙ্গে মানুষের সত্যিকারের জীবনের চোখাচোখি হয়।

default-image

মানুষকে একাত্ম করে তোলে। একজন অভিনেতা তাঁর সফরের মাধ্যমে শুধু অভিনেতা হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবেও নিজেকে সমৃদ্ধ করে। কারণ যে চরিত্রে আমরা অভিনয় করি, সেই চরিত্রের দুঃখ, কষ্ট, অনুভূতি আমরা অনুভব করতে পারি। আর এ সবকিছু আমাদের ভালো মানুষ হতে সাহায্য করে। এই সিরিজের মাধ্যমে আমি ‘কালিন ভাই’-এর যন্ত্রণা, তার জীবনের এক অন্ধকার দিককে স্পর্শ করতে পেরেছি। তাই প্রতিটি চরিত্র থেকে আমরা মানুষ হিসেবে নিজেদের আরও উন্নত করতে পারি।

default-image

মনে হলো আমাদের পরিবার আবার এক হলো, রসিকা দুজ্ঞল (বীণা ত্রিপাঠি)
‘মির্জাপুর টু’ আমার জন্য দুর্দান্ত আর নতুন এক সফর ছিল। অভিনেত্রী হিসেবে আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। কারণ, এই সিরিজের মাধ্যমে আমি নিজেকে প্রতিনিয়ত আবিষ্কার করতে পেরেছি। আমার ব্যক্তিত্বের থেকে একদম ভিন্ন আমার অভিনীত ‘বীণা’ চরিত্রটি।

আমরা দুজন দুই মেরুর মানুষ। তাই শারীরিক ভাষা থেকে সবকিছুই আমাকে বদলে ফেলতে হয়েছিল। ‘মির্জাপুর টু’-র শুটিংয়ের প্রথম দিন মনে হয়েছিল আমাদের পরিবার আবার এক হলো।

default-image

তবে এই সিরিজের বাইরেও প্রত্যেকের সঙ্গে আমার আলাদা সম্পর্ক আছে। আমরা অনেকেই নিয়মিত নাটক করি। আমি আর বিজয় (ভর্মা) একই ফিল্ম স্কুলে পড়াশোনা করেছি। দিব্যেন্দু (শর্মা) আর আমি এফটিআইআইয়ে একসঙ্গে পড়তাম। পঙ্কজজির সঙ্গে আগে ‘পাওডার’ বলে একটা ছবি করেছিলাম। শ্বেতা ত্রিপাঠীর সঙ্গে আমি নাটক করি। অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেন যে এই সিরিজের সফলতার মূল উপাদান কী। আমার মনে হয় ‘মির্জাপুর’-এর টান টান গল্প তো আছেই। অনেক ছবিতে দেখা যায় গল্পকার চরিত্রগুলো আঁকতে গিয়ে গল্পের সঙ্গে সমঝোতা করে। কিন্তু এখানে তা হয়নি।

default-image
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন