বিজ্ঞাপন

ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসকে বড় করে তুলে ধরতে গিয়ে জো বাইডেনকে খাটো করেছেন কঙ্গনা। টুইটে লিখেছেন, ‘গজনি বাইডেনের কথা বলতে পারি না! ৫ মিনিট পরপর (বয়স্ক) লোকটার মেমোরি ক্রাশ করে। তাঁর লোকজন কী সব ওষুধপত্র খাওয়ায়, কে জানে! মনে হচ্ছে কমলা হ্যারিসকেই সবটা সামলাতে হবে। জো বাইডেনকে কেবল সামনে বসিয়ে রেখে তাঁকেই শো চালিয়ে নিতে হবে।’

বলে রাখা ভালো, ‘গজনি’ ছবিতে আমিরের শর্ট টার্ম মোমোরি লস হতো। একটা নির্দিষ্ট সময় পর ভুলে যেতেন আগে কী করেছিলেন। জো বাইডেনের বয়স নিয়ে কটাক্ষ করেই ‘গজনি’ ছবির আমিরের সঙ্গে তুলনা করেছেন কঙ্গনা। জো নাকি পাঁচ মিনিট পরপরই স্মৃতিভ্রষ্ট হন। আর তাই সবকিছু সামলাতে হবে কমলা হ্যারিসকেই।

default-image
default-image

কঙ্গনা নারীর ক্ষমতায়নকে বড় করে দেখাতে গিয়ে মূলত জো বাইডেনকে অপমান করেছেন। কঙ্গনা আরও লিখেছেন, ‘যখন একজন নারী এগিয়ে আসে, তখন সে কেবল একা এগিয়ে আসে না। অন্য সব নারীকে এগিয়ে আসার জন্য জায়গা করে দেয়।’

এই টুইটের সঙ্গে কঙ্গনা কমলা হ্যারিসের একটি বক্তব্যের ভিডিও জুড়ে দিয়েছেন। এটা গেল মার্কিন নির্বাচনের কথা। এদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকেও একের পর এক টুইটের বাণে বিদ্ধ করছেন কঙ্গনা রনৌত। কে জানে, আদৌ এসব কথা ট্রুডো পর্যন্ত পৌঁছেছে কি না। তবে কঙ্গনা তাঁর কথা বলতে ছাড়েননি। ট্রুডোকে ট্যাগ করে লিখেছেন, ‘জানি, আপনি আমার টুইটের উত্তর দেবেন না। কেননা, আমি যে প্রশ্নগুলো তুলেছি, আপনার কাছে এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই।’

এভাবেই নিজের মতো করে যা ইচ্ছা তা–ই বলে যাচ্ছেন কঙ্গনা। আর প্রতিনিয়ত আলোচনার ঝড় তুলছেন তো তুলছেনই। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন বিষয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বিতর্ক আর আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন তিনি।

default-image
বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন