বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১০ সালে তেলেগু ছবি ‘ইয়ে মায়া চেসাবে’তে একসঙ্গে কাজ করেন সামান্থা রুথ প্রভু ও নাগা চৈতন্য। তখন থেকেই প্রেম। ২০১৭ সালের ৬ অক্টোবর হিন্দু রীতিতে এবং পরদিন খ্রিষ্টীয় রীতিতে বিয়ে করেন দুজন।

default-image

এখন তাঁরা সাবেক, চার বছরের দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টেনে এখন নতুন পথের পথিক সামান্থা-নাগা। কিন্তু কেন ভাঙল তাঁদের সম্পর্ক, তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। প্রকাশ্যে বিচ্ছেদ নিয়ে এত দিন মন্তব্য করেননি দুজন। অবশ্য ঘুরিয়ে–ফিরিয়ে নিজের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করেছিলেন নাগার্জুনপুত্র নাগা চৈতন্য। সম্প্রতি ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে ‘বঙ্গরজু’ ছবির প্রচারের ফাঁকে বিচ্ছেদ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেছেন নাগা।
আড্ডায় সামান্থার সাবেক স্বামী জানান, ‘একটা সম্মিলিত সিদ্ধান্ত এটি। ব্যক্তিগত সুখ-শান্তির জন্যই এই বিচ্ছেদ। আমি মনে করি না আমরা ভুল করেছি। এখন সে খুশি, আমিও খুশি। তাই ডিভোর্স সেসব পরিস্থিতিতে সেরা সিদ্ধান্ত।’

default-image

নাগা চৈতন্যর আলাপনে জানা গেছে, পেশাই অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল দুজনের দাম্পত্য জীবনে। বাড়ির বউ সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করবেন, আইটেম গানে নাচবেন, তা চায়নি বাবা নাগার্জুন ও তাঁর পরিবার। ছেলে নাগা চৈতন্য চেষ্টা করেছিলেন স্ত্রীকে বোঝানোর, কিন্তু সমঝোতা করতে রাজি নন ‘ফ্যামিলি ম্যান’-এর ‘রাজি’। আর শ্বশুরবাড়ির এই ‘অনৈতিক দাবি’ মেনে না নেওয়ার জেরেই সংসার ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন সামান্থা।

default-image

‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ সিরিজে সামান্থার সঙ্গে সহশিল্পীর ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করাটা একদম হজম করতে পারেননি নাগা, তা পরিষ্কার হলো তাঁর মন্তব্যে। তিনি বলেন, ‘আমি এমন কোনো কাজ করব না, যা আমার পরিবারের পক্ষে সম্মানহানিকর।’
বিচ্ছেদের পর নেট দুনিয়ায় ভক্তদের একাংশের নেতিবাচক মন্তব্যের মুখে পড়েন সামান্থা। তবে তিনি মোটেও ভেঙে পড়েননি। তিনি বলেন, ‘ডিভোর্স একটা যন্ত্রণাদায়ক যাত্রা, দয়া করে আমাকে নিজের ক্ষতগুলো সারিয়ে তুলতে একটু একা থাকতে দিন। আমার ওপর ব্যক্তি আক্রমণ লাগাতার চলছে। কিন্তু জেনে রাখুন, কোনো কিছুই আমাকে ভাঙতে পারবে না।’
সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

বলিউড থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন