তাঁর মৃত্যুতে বলিউড অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সহশিল্পীরা দিচ্ছেন আবেগঘন পোস্ট। এসব পোস্টে ভাগাভাগি করছেন জিতেন্দ্রের অতীত স্মৃতি ও সাদামাটা জীবনযাপন। ইনস্টাগ্রামে মনোজ বাজপেয়ি লিখেন, ‘ক্যারিয়ার শুরুর দিকের বন্ধু জিতেন্দ্র শাস্ত্রীর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল। ভালো অভিনেতা এবং অসাধারণ একজন মানুষ চলে গেল।’ ক্যারিয়ার শুরু বলতে এই অভিনেতা বুঝিয়েছেন, মাত্র পাঁচ বছর আগে তিনি বড় পর্দায় ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। আইএমডিবির তথ্যমতে, ২০১৮ সালে প্রথম আনুশকা শর্মা ও পরমব্রত অভিনীত ‘পারি’ সিনেমার পুরোনো গ্রামবাসীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জিতেন্দ্র।

‘মির্জাপুর’–এ অভিনয় করা রাজেশ তাইলাং টুইট করে শোক প্রকাশ করেন। তিনি লিখেন, ‘বিশ্বাস করতে পারছি না জিতু ভাই আর নেই। তিনি দুর্দান্ত একজন অভিনেতা ছিলেন। অনেক হাস্যোজ্জ্বল এবং ভালো মানুষ ছিলেন। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আমার জন্য সৌভাগ্যের ছিল।’

অভিনেতা সঞ্জয় মিশ্র জিতেন্দ্রর সঙ্গে একটি পুরোনো ভিডিও শেয়ার করেন। ক্যাপশন তিনি লিখেন, ‘জিতু ভাই আপনি যদি এখান থাকতেন, তাহলে বলতেন, “মিশ্র কখনো কখনো এমন হয়, মোবাইলের কন্টাক্ট লিস্টে নাম আছে কিন্তু মানুষটি চলে যায় নেটওয়ার্কের বাইরে।” আপনি দুনিয়া থেকে চলে গেছেন কিন্তু আজীবন আপনি থাকবেন আমার অন্তরে।’

ভারতের মধ্যপ্রদেশে ১৯৫৭ সালের ৫ জুন জন্মগ্রহণ করেন জিতু। মঞ্চ অভিনয়ে তাঁর প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ার। শৈশব থেকেই তিনি থিয়েটার অভিনেতা ছিলেন। পরে দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে স্নাতক করেছেন। তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’, ‘অশোকা’, ‘লজ্জা’, ‘রাজমা চাওল’, ‘ইন্ডিয়া’স মোস্ট ওয়ান্টেড’। সর্বশেষ ‘আলকেমিস্ট’ সিনেমায় তিনি নাম লিখিয়েছিলেন। সিনেমাটির এখনো শুটিং হচ্ছে।