সিনেমা বাছাইয়ে দিয়ার তিন মন্ত্র

প্রথম আলোকে নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে পেতে হলেএখানে ক্লিক করুন
দিয়া মির্জা
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

হিন্দি সিনেমায় দুই দশক পার করেছেন দিয়া মির্জা। এখনো নানা ধরনের চরিত্রে ক্রমাগত নিজেকে অন্বেষণ করে চলেছেন এই বলিউড অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দিয়া ফাঁস করেছেন, অভিনয়ের কোনো ব্যাকরণই তিনি জানতেন না। এই ফিল্মি ভ্রমণ তাঁকে সবকিছু শিখিয়েছে।

ক্যারিয়ারের প্রথম ছবি ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ দিয়ে সবার নজর কেড়েছিলেন দিয়া। তাঁকে শেষ পর্দায় দেখা গেছে ধক ধক ছবিতে। এই ছবিতে তাঁর অভিনয় দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। শুধু তা–ই নয়, ছবিটিতে দুরন্ত গতিতে বাইক চালাতে দেখা গেছে দিয়াকে।

চলচ্চিত্রবিষয়ক সাময়িকী ফিল্মফেয়ার-এ এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী নিজের ফিল্মি ভ্রমণ নিয়ে কথা বলেছেন। দিয়া বলেন, ‘আমি সিনেমায় যখন এসেছিলাম, অভিনয়ের ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। আমার কোনো রকম প্রস্তুতিও ছিল না। কাজ করতে করতে সবকিছু শিখেছি। ক্যারিয়ারের প্রথম ৮-১০ বছর আমি কোনো রকম ভয় ছাড়াই নিজের ছবি নির্বাচন করতাম। কিন্তু নিজেকে কীভাবে প্রমাণ করব, জানতাম না। এখন আমার পছন্দের ছবি আমার অভিনেত্রী সত্তাকে বর্ণনা করে।’

দিয়া মির্জা
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ছবি নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনটি মন্ত্র অনুসরণ করেন দিয়া। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ছবির গল্প কি অন্য কিছু বলতে চেয়েছে, এ ছবি কি আমার ক্যারিয়ারে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে, দর্শক কি ছবির গল্পের সঙ্গে নিজেকে সংযোগ করতে পারবেন—এ তিন প্রশ্নের জবাব “হ্যাঁ” হলেই আমি কোনো ছবি করার সিদ্ধান্ত নিই।’

দিয়া মির্জা
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

অভিনয়শিল্পীদের ক্যারিয়ার স্থিতিশীল নয়। এ পেশায় নিরাপত্তাহীনতা প্রসঙ্গে দিয়া বলেন, ‘যখন বয়স কম ছিল, খুবই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতাম। কিছু হারানোর ভয়, প্রত্যাখ্যানের ভয়, সুযোগ হারানোর ভয়, বয়স বেড়ে যাওয়ার ভয় আমাকে রীতিমতো তাড়া করত।’

দিয়া মির্জা
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

অভিনয় পেশার ভালো-মন্দ দিক প্রসঙ্গে দিয়া বলেন, ‘এই পেশার সবচেয়ে ভালো দিক একটা চরিত্রের মাধ্যমে আমরা সম্পূর্ণ অন্য এক ব্যক্তি হয়ে উঠি। অনেক সময় আমাদের অভিনীত চরিত্রের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক বদল আনতে পারি। অভিনয় পেশার একটা দিক আমার সবচেয়ে অপছন্দের, সেটা হলো এই পেশায় প্রতিদিন ভুয়া খবরের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়, যা আমি একদমই উপভোগ করি না।’